মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ২৩ জুন ২০১৩, ৯ আষাঢ় ১৪২০
ক্যাম্পাসে আড্ডা
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই আজ আর নেই ...। এই গানটি ভালভাবে শুনলে ক্যাম্পাসে আড্ডার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থাকবে অথচ আড্ডা হবে না এটা ভাবাই যায় না। একটু আগ বাড়িয়ে বললে বলতে হয়, ক্যাম্পাসে আড্ডা নেই সেটি আসলে কোন ক্যাম্পাসই না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়ে যারা বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন আড্ডার কথা বললে তারা আজও হারিয়ে যান অতীতের সেই ক্যাম্পাস জীবনে। তাদের মনের দুয়ারে উঁকি দেয় সেই ক্যাম্পাস . . .
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ
বিশ্বায়নের এ যুগে মানসম্পন্ন শিক্ষার মূল্য অনেক। দেশে ও বিদেশে মানসম্পন্ন শিক্ষার ব্যাপক চাহিদা। এই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ধানম-ির কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ড্যাফোডিল গ্রুপের কর্ণধার মো: সবুর খান। এটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ও স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার সুযোগ রয়েছে। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : ১. অভিজ্ঞ ও মেধাবী শিক্ষকম-লী দ্বারা . . .
ক্যামব্রিয়ান স্কাউট গ্রুপ
শিশু কিশোর ও যুব সম্প্রদায়ের শারীরিক, মানসিক বিকাশে স্কাউটিং-এর ভূমিকা অপরিহার্য। সৎ, কর্মঠ ও উদ্যমী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে স্কাউটিং। তাই সরকারও স্কাউটিংকে অনার্স লেভেলের পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এসব বিবেচনায়ই বাংলাদেশের প্রযুক্তি সমৃদ্ধ স্কুল ও কলেজ- ‘ক্যামব্রিয়ান’ ২০১২ সালে বাংলাদেশ স্কাউটস তথা বিশ্ব স্কাউটসের সদস্য হিসেবে স্কাউট গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদিও ২০১১ সাল থেকেই তারা এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, ক্যামব্রিয়ান স্কুল এ্যান্ড কলেজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বের . . .
পেশা যখন ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং
ক্যারিয়ার
তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বায়নের এই যুগে কাজের ক্ষেত্র নিজ দেশ কিংবা নির্দিষ্ট গ-ির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কাজের ক্ষেত্র এখন বিশ্বব্যাপী। স্বল্পোন্নত উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত বিশ্বে দক্ষ, আধা দক্ষ এমনকি অদক্ষ শ্রমিক পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সংস্কৃতি চালু রয়েছে বিশ্বের দেশে দেশে। বাংলাদেশ ও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় অংশ আসে প্রবাসে কর্মরতদের পাঠানো রেমিটেন্স থেকে। তথ্যপ্রযুক্তির জয়জয়কার এ যুগে দেশে বসেই প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনাময় একটি খাত হচ্ছে . . .