মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১৮ মে ২০১১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
ক্যাম্পাস জীবনের সাত রং
রাহুল শর্মা
অপু-দুর্গার জীবনের প্রথম রেলগাড়ি দেখার মতোই স্কুল-কলেজের সেই চিরচেনা গ-ি ছাড়িয়ে যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পা রাখবেন তখন চারপাশের সবকিছু অচেনা মনে হওয়াই স্বাভাবিক। এ যেন নতুন জীবন। আপনার এতদিনের সঙ্গে যার কোন মিলই নেই। একদিকে চারপাশে নতুনের আবাহন, অন্যদিকে পরীৰার চাপ। টেনশন তো হবেই। এই টেনশন একদিন শেষও হবে। স্বপ্ন এসে ধরা দেবে হাতের মুঠোয়। এবার আপনি মুখোমুখি শহরের আয়নায়। পোশাক থেকে শুরম্ন করে ভাষাগত অনেক সমস্যা। স্বভাবতই বিব্রত হবেন আপনি। গ্রামে ফিরে যাবেন- তাহলে স্বপ্নের মৃতু্য নিশ্চিত। সুনিশ্চিত পরাজয়। . . .
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সান্ধ্য আইনের বিপক্ষে ছাত্রীরা
সন্ধ্যা নামবে, এখনও আঁধারের দেখা মিলতে ঢের দেরি। এর মাঝেই পাঠচক্র ফেলে দৌড় দিল দীপা। হলে ফিরতে হবে। আজানের সঙ্গে সঙ্গে গেট বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আর উপায় থাকবে না। শুধু দীপা নয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে থাকা সব মেয়েরই এটা রুটিনের পরিণত হয়েছে। যত কাজই থাক, সে লাইব্রেরি ওয়ার্ক, টিউশনি, সাংস্কৃতিক কর্মকা- বা আড্ডা কোনক্রমেই তা সন্ধ্যা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে না। এমন হলে হলে ঢুকতে হাজারো ঝক্কি ঝামেলা, হাজারো কৈয়ফিয়ত। অনেক সময় সহপাঠীদের কাছ থেকে বিদায় নেবার সুযোগও থাকে না। এসে পড়ে পুলিশভ্যান। ছাত্রীদের . . .