মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১৮ মে ২০১১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
কেরালায় কয়েকদিন
ড. স্বপ্না রায়
পুরাণকাহিনী অনুযায়ী_ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম তাঁর কুঠার ছুড়ে ফেলেছিলেন সমুদ্রের জলে। জলের তলায় যেখানে সেটি ভূমি স্পর্শ করেছিল, সেখান থেকেই জেগে উঠেছিল এই দেশটি। আর ভূ-তাত্তি্বক ব্যাখ্যায় মেলে_আগ্নেয়গিরির অগ্নু্যৎপাত কিংবা ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরিণতিতে এই ভূমিটির উদ্ভব-সম্ভাবনার কথা। বিপর্যয় শেষে, দিনে দিনে পাহাড় থেকে ধুয়ে আসা কাদামাটি ও পলি নদীবাহিত হয়ে এসে জমে জমে সৃষ্টি করেছে এই ভূখ-টির অবয়ব। সমুদ্রতরঙ্গও এৰেত্রে পালন করেছে অভিন্ন ভূমিকা। ভারত উপমহাদেশের দৰিণ-পশ্চিম প্রানত্মে . . .
নীলাদ্রি নীলগিরির নীলিমায়
ফাহ্মিদা আমিন
(পূর্ব প্রকাশের পর) হিমা জানাল, এটাই নাকি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়ে যাওয়ার রাসত্মা। উঁচু পাহাড় অনেক আছে, কিন্তু রাসত্মা নেই আর। উপর থেকে নিচের দৃশ্য যে কত সুন্দর তা লিখে বোঝানো যাবে না। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে মেঘের জটলা, কখনও ছড়া কিংবা অাঁকাবাঁকা পানির জলধারা রম্নপালি ফিতার মতো দেখা যায়। কলাগাছের ঝোপের আড়ালে আদিবাসীদের বসতি। কলাপাড়া ও অন্যান্য পাড়া। নীল-সবুজের জামদানিতে পাড়াগুলো যেন এমব্রয়ডারির কাজ। ঠিক দুপুর ৩টায় নীলগিরিতে পেঁৗছলাম। আমাদের জন্য যে কটেজের বুকিং ছিল তার নাম 'মেঘদূত'। কাব্যিক . . .