মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৩, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০
নতুন করে চেনা
ডা. মামুন-আল-মাহতাব (স্বপ্নীল)
১৯৬৫ সালে একজন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীর রক্তে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ কোটি লোক হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত, যাদের প্রায় ১ কোটি বাস করেন বাংলাদেশে। রক্ত আর স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে এ ভাইরাসটি ছড়ায়। রক্ত ছাড়াও মানুষের লালাতেও হেপাটাইটিস বি ভাইরাস পাওয়া যায়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত অধিকাংশ লোকের বয়স ৫০ বছরের নিচে। হোটাইটিস বি আক্রান্ত কোন ব্যক্তির রক্তমাখা সুইয়ের খোঁচায় ভাইরাসটি সংক্রমণের আশঙ্কা শতকরা ৩০ ভাগ। আর হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত মায়ের সন্তানের জন্মের পর পর . . .
মুখ ও দাঁত সুস্থ সবল রাখার জন্য যা যা করণীয়
§ খাদ্য গ্রহণের পরপর ভালভাবে কুলকুচা করা বিশেষ করে যদি খাদ্যদ্রব্য হয় শর্করা বা চিনি জাতীয় § মুখ ও দাঁতের মাঝে কোনরকম অস্বাভাবিক অনুভূতির সৃষ্টি হলে অতি সত্তর দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া § মুখে যদি দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয় তা হলে দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া § গর্ভবতী মায়েদের বেলায় ওষুধ সেবনে বিশেষ করে টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় ওষুধ, কেননা এ জাতীয় ওষুধ আগত সন্তান এর দাঁতের ওপর একধরনের দাগের সৃষ্টি করে § দন্তক্ষয় রোগের উপস্থিতি টের পাওয়া মাত্রই চিকিৎসা গ্রহণ একান্ত কর্তব্য § . . .
প্যারালাইসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত
তরতাজা প্রনোচ্ছল মানুষ শেলী রাহমান। সকালেও ঘরের সব কাজ সামলেছেন। সামনে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের ব্যস্তায় প্রেসার কমানোর ঔষধ সেবনের নিয়মে ছেদ পড়েছে। এই সুযোগটাই নিয়েছে ঘাতক ব্যাধি স্ট্রোক। ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মস্তিষ্কের বামপার্শে¦ রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায় মস্তিষ্কের ওই অংশ তার কর্মক্ষমতা হারিয়েছে। ফলে শরীরের ডান পাশ প্যারালাইসিসড হয়ে গেছে। রাতেই আই সি ইউ সাপোর্ট পাওয়াতে তার জীবন বেচেছে। কিন্তু প্যারালাইসিস তাকে নিস্তার দেয় নি। সাত দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও তিনি হাত পা নাড়াতে পারতেন . . .
নারীর মন খারাপ বিষণœতা নয় তো?
রহিমা বেগম বয়স ৪৫। নিজেই চেম্বারে আসলেন এবং বললেন এবার শেষ চিকিৎসা, বহু ডাক্তার দেখিয়েছি। তাঁর সমস্যাÑ মাথা জ্বলে, শরীর জ্বালাপোড়া করে, ঘুম হয় না, সব সময় বিরক্ত ভাবে থাকে, কোন কিছুতেই শান্তি লাগে না। রহিমা বেগম এক বিষন্ন নারী। বাংলাদেশে ৫-৯% মহিলা কোন না কোনভাবে বিষন্নতা নামক রোগে ভুগছেন। এই পরিসংখ্যান পৃথিবীর প্রায় সব দেশে একই রকম। এই বিরাট অংশের রোগী এই ডাক্তার, সেই ডাক্তার, এই পরীক্ষা, ঐ পরীক্ষা করে শেষে কোন রোগ ধরতে না পেরে নিজেরা তো বিষন্নতায় ভোগেই এবং সবাইকে (আত্মীয়স্বজনকে) অসুস্থ করে . . .
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে বিজ্ঞানসম্মত নতুন পদ্ধতি
বাংলাদেশে হৃদরোগ বাড়ার কারণ, বর্তমানে আমাদের জীবন ধারায় পশ্চিমা ধাঁচে পরিবর্তন হচ্ছে। ফাস্টফুডের সঙ্গে দ্রুততালে বাড়ছে ফ্যাট খাওয়ার প্রবণতা। কমেছে শাকসবজি ও ফলমুল খাওয়ার অভ্যাস ও টাটকা খাবার খাওয়ার ঝোঁক। জীবনের গতি বাড়তে বাড়তে জেটগতির জীবনে অভ্যস্ত হচ্ছে একশ্রেণীর মানুষ। ফলে ইঁদুর-দৌড়ের জীবনে বাড়ছে টেনশন, মানসিক চাপ- মন হয়ে পড়ছে ক্ষতবিক্ষত, হৃদরোগ বেড়ে চলেছে এভাবে। অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে চলেছে ধূমপান। এর বিপক্ষে সচেতনতা সৃষ্টি ও মোটিভেশনও যেন রুখতে পারছে না এর অগ্রযাত্রাকে। ধূমপান এখন আর শুধু বড়দের . . .
হাল্কা মচকানোতে নিষ্কৃৃতির ক’টি টিপস
স হাল্কা মচকালে মনে রাখুন চজওঈঊ শব্দটি। স চ ভড়ৎ চৎড়ঃবপঃরড়হ : আপনার জয়েন্টকে পুনরায় কোন আঘাত থেকে রক্ষা করুন। প্লাস্টিক র‌্যাপ ব্যবহার করুন, লাঠি কিংবা ক্রাচে ভর করে হাঁটুন। স জ ভড়ৎ জবংঃ : আঘাতপ্রাপ্ত জয়েন্টকে বিশ্রাম দিন। স ওঈ ভড়ৎ ওপব : বরফ দিলে আপনার ফোলা ও ব্যথা অনেক কমে যাবে। এতে মাসল স্পাজমও কমে যাবে। স ঊ ভড়ৎ ঊষবাধঃরড়হ : আপনার ফোলা জয়েন্টটা আপনার বুকের লেভেলের চেয়ে উচ্চে রাখুন। ফোলা কমবে, ব্যথা কমবে। স চজওঈঊ চিকিৎসা যতক্ষণ কার্যকর হয়, করুন। তারপরও প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন বড়ি খেতে . . .