মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৩, ১০ মাঘ ১৪১৯
ভুলে যাওয়া রোগীদের দাঁতের চিকিৎসা
এ্যালজাইমারস রোগে মানুষ ধীরে ধীরে সব কিছু ভুলে যায় যা তার জীবনকে বিপন্ন করে তোলে। আলয়েস অ্যালজাইমার নামে একজন জার্মান মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সর্ব প্রথম অ্যালজাইমারস রোগের নিউরোপ্যাথলজি অর্থাৎ যে প্রক্রিয়ায় ব্রেন সেল নষ্ট হয় তা পর্যবেক্ষণ করেন। ১৯০৬ সালে আলয়েস অ্যালজাইমারের নামানুসারে রোগের নামকরণ করা হয় অ্যালজাইমারস। উল্লেখ্য, প্রয়াত মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান একজন অ্যালজাইমারস রোগী ছিলেন। অ্যালজাইমারস রোগ মস্তিষ্কের আগ্রাসি ডিসঅর্ডার বা অচলাবস্থা যা ধীরে ধীরে একজন মানুষের স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে . . .
এলার্জি
পুষ্পরেণু
আমাদের দেশ ঋতু বৈচিত্র্যময় দেশ আর ঋতু বৈচিত্র্যের সঙ্গে সঙ্গে গাছে বিভিন্ন ফুলের আগমন দেখতে ভালই লাগে, এই ভাল লাগা কারও কারও জীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ বিশেষ করে যাদের এলার্জিজনিত এ্যাজমার ভেসে আসা পুষ্পরেণু হে ফিভার এবং এ্যাজমার উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। পরাগায়নের ঋতু চলতে থাকে কয়েক মাস ধরে ফলে এলার্জি রোগীদের পক্ষে পুষ্পরেণু এড়িয়ে চলা খুব কঠিন তবুও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে রোগ প্রতিরোধ এবং উপসর্গ থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। পুষ্পরেণূ কী : পুষ্পরেণু শব্দটি এসেছে টংরেনি পোলেন থেকে। পোলেন প্রকৃতপক্ষে . . .
কর্নিয়ার অসুখ
স্বচ্ছ, পরিষ্কার কাঁচের মতো আমাদের চোখের কর্নিয়া। কর্নিয়ার মূল বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে স্বচ্ছতা। আর এই স্বচ্ছতা হারালেই ঘটে বিপদ। কারণ কোনো বস্তু থেকে প্রতিফলিত আলো কর্নিয়া ও লেন্সের মাঝখান দিয়ে গিয়ে রেটিনাতে পড়ে। এই বিশেষ জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। কিন্তু কোন কারণে কর্নিয়া অস্বচ্ছ হয়ে গেলে রেটিনাতে আলো ঠিকমতো পৌঁছাতে পারবে না। কেন কর্নিয়ার সমস্যা হয়? ১. জন্মগতভাবে কর্নিয়া অস্বচ্ছ হতে পারে। ২. বাইরের কোনো আঘাতের কারণে কর্নিয়াতে প্রদাহ হলে। ৩. কর্নিয়ায় ঘা বা আলসার হলে। ৪. কর্নিয়ায় . . .
লিভারের বিষ ফোঁড়া
লিভার এ্যাবসেস অর্থ লিভারের ফোঁড়া - অ্যাৎকে ওঠার মতো বিষয়ই বটে। ছোট ফোঁড়াতেই যখন কত বিড়ম্বনা সেখানে খোদ লিভারে ফোঁড়া বলে কথা। তবে কথাটা অবশ্য আংশিক সত্য। কারণ একথা ঠিক যে, লিভারে ফোঁড়া ফেটে গিয়ে তা রোগীর মৃত্যুর কারণও হতে পারে। তবে আজকের দিনে সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের ঘটনা খুব বিরল। লিভারে ফোঁড়া কেন হয়? লিভারে মূলত দু’ধরনের ফোঁড়া হয়, পায়োজেনিক ও ক্র্যসিবিক। ইকোলাই, স্টাফাইলোকক্কাই, স্ট্রেপ্টোকক্কাই, ক্লেবসিয়েলা ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া। পায়োজেনিক লিভার এ্যাবসেসের জন্য দায়ী, আর . . .
নারীর মুখের অস্বাভাবিক লোম
পুরুষের ন্যায় মহিলাদের মুখে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লোম দেখা দিলে তাকে ‘হিরসুটিজম’ বলা হয়। যে কোন বয়সের মহিলার বেলায়ই ব্যাপারটি অত্যন্ত বিরক্তিকর। সাধারণভাবে মহিলাদের মুখে অতিরিক্ত পরিমাণ গোঁফদাড়ি হওয়াকে কোন না কোন রোগের লক্ষণ বলে ধরে নেয়া হয়। তবে অনেক সময় কোন রোগ ছাড়াও কোন কোন মহিলার মুখে সামান্য পরিমাণে লোম থাকতে পারে। বংশগত কারণেই এ রকমটি বেশি হয়ে থাকে। লোমের পরিমাণ অথবা প্রকৃতি বিভিন্ন জনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হতে পারে। ধরে নেয়া হয় যে, মহিলাদের শরীরে ‘এন্ড্রোজেন’ . . .