মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪১৮
বাড়ছে খাদ্য সমস্যা
মোঃ আবদুল হালিম
বিশ্বের অনেক দেশেই এখন খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে। সবচেয়ে বেশি সঙ্কট দেখা দিয়েছে আফ্রিকায়। মাস কয়েক আগে বিভিন্ন সূত্রে বলা হতো বিশ্বের প্রায় ৯৫ কোটি মানুষ রয়েছে মারাত্মক খাদ্য সঙ্কটে। এখন বলা হচ্ছে বর্তমানে খাদ্য সঙ্কটে থাকা মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি। গবেষকরা সম্প্রতি বলেছেন, বিশ্বে খাদ্য সঙ্কটের একটি বড় কারণই হচ্ছে ভোগের জন্য উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নষ্ট বা অপচয় হওয়া। যুগের পর যুগ চলে আসছে অগ্রহণযোগ্য এ ধারাটি। সম্প্রতি জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) তাদের এক প্রতিবেদনে . . .
অকৃষি খাতে কৃষি জমির ব্যবহার
মানুষ বাড়ছে, কমছে জমি। মুখ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদিত খাদ্যের ওপর চাপ আসছে জোরেশোরে। এখন অনেক খাদ্যের জন্য নিজেদের উৎপাদনের ওপর নির্ভর করলে চলছে না। দিন দিন আমদানির ওপরে আমাদের খাদ্য নির্ভরতা সৃষ্টি হচ্ছে। যখন এখান থেকে বের হয়ে আসার জন্য উপায় খুঁজছে বিজ্ঞজন, ঠিক তখন পাল্লা দিয়ে কমছে কৃষি জমি। আর এই জমি ব্যবহার হচ্ছে অকৃষি খাতের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনেও। বছরে ৬৫ হাজার হেক্টর কৃষি জমি কমে আসায় আমাদের খাদ্য ঘাটতি বাড়ছে বছরে ২০ লাখ টন করে। পক্ষান্তরে দেশে মোট জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বছরে যোগ হচ্ছে প্রায় ২৫ লাখ নতুন মানুষ। . . .
ফারাক্কা বাঁধ ॥ বছরে ক্ষতি ২৫০০ কোটি টাকা
পরিবেশের বিরূপ আচরণের উন্মাদনাটা বোঝা যায় গ্রীষ্ম এলে। সেচের জন্য জল, খাদ্যের প্রয়োজনে জল, জীবনের প্রয়োজনে জল, সর্বোপরি জীবনে টিকে থাকার জন্য জলের তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় গ্রীষ্মের এ সময়। পরিবেশের ভৌত কাঠামোতে যে অভাব পরিলক্ষিত হয় তা হলো ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ এবং ভূপৃষ্ঠের নিচে জলের অভাব। প্রাকৃতিক কারণে যতটা না জলের অভাব তারচেয়ে বেশি অভাবের কারণ মানুষের সম্পদের ভোগের কারণে। জলের স্থিতিশীল স্তর কমতে কমতে এখন অগভীর নলকূপ এবং হ্যান্ড টিউবঅয়েল জল উত্তোলন ক্ষমতা হারিয়েছে অনেক জায়গায়। পত্রিকার সূত্রে . . .
আইনের আওতায় আনা হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস
সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলোকে। কারণ কোন আইন বা বিধি ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ব্যবসা করে যাচ্ছে কিন্তু নতুন আইনের ফলে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে সরকারী নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে একই সঙ্গে বেসরকারী ডাকসেবাও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাবে। এজন্য এখন থেকে কোন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্স না নিয়ে কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসা চালাতে পারবে না। এজন্য মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়ার জন্য গত মাসে একটি বিধিমালা জারি করেছে সরকার। সংশিস্নষ্ট সূত্র . . .