মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১ জুন ২০১১, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
পাকিস্তান কি একই সঙ্গে ব্যর্থ ও দুবর্ত্ত রাষ্ট্র?
এনামুল হক
নাইন ইলেভেনের ঘটনা অর্থাৎ টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পর আমেরিকার তরফ থেকে একটা হুমকি এসেছিল পাকিস্তানের কাছে। হুমকিটা সরাসরি। আমেরিকা বলেছিল, 'হয় আমাদের সঙ্গে থাকবে নয়ত আমাদের বিরুদ্ধে'। পাকিস্তান কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল_হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রম্নত ও নোংরা এক সমঝোতায় আসতে হবে সেখানে আছে প্রচুর নগদ অর্থের প্রতিশ্রম্নতি, নয়ত যুক্তরাষ্ট্রকে পেতে হবে শত্রম্ন হিসেবে। তৎকালীন সামরিক একনায়ক পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে পাকিস্তান সরকার প্রথম পথটাই বেছে নিয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের . . .
যৌন কেলেঙ্কারি
রাজনৈতিক শূন্যতায় কানের ভবিষ্যত
১৯৩০ সালের 'গ্রেট ডিপ্রেশনের' ৮০ বছরের মাথায় আরেকটি বিশ্বমন্দার মুখোমুখি হয় পৃথিবীবাসী। একবিংশ শতকের দোরগোড়ায় বিশ্ব অর্থনীতি যখন একটা নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগোচ্ছিল ওগঋ (ওহঃবৎহধঃরড়হধষ সড়হবঃড়ৎু ভঁহফ) বা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের গৃহীত নানা ইতিবাচক পদৰেপ কিছুটা হলেও সে অবস্থার উন্নতি ঘটায়। অর্থ মন্দার সময় আইএমএফের প্রধান ডমিনিক স্ট্রস কানের ভূমিকা বোধকরি একেবারে অপ্রশংসনীয় ছিল না। যদি আগ বাড়িয়ে বলি, অর্থনৈতিক মন্দা দূরীকরণে নানান সক্রিয় চিন্তচেতনার প্রয়াস তিনিই দিয়েছিলেন। কিন্তু সদ্য . . .
আইএসআই একটি দু'মুখো আয়না
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থা বা আইএসআই দেশের সর্ববৃহৎ গোয়েন্দা সংগঠন। এটি একটি ভয়াল সংস্থা এবং অনেক অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এমন এক বিতর্কিত সংস্থাকে নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার শেষ নেই। সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রবণতার জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ভুট্টো একদা এই সংস্থাটিকে 'রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র' আখ্যা দিয়েছিলেন। সোভিয়েতবিরোধী আফগান জিহাদে মার্কিন অস্ত্র ও অন্যান্য সাহায্য সরবরাহের ৰেত্রে আইএসআই এক অপরিহার্য ক্লিয়ারিং হাউস হিসেবে কাজ করেছিল। সংস্থাটিকে প্রায়শই দুই চেহারায় . . .