মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১, ১৫ আশ্বিন ১৪১৮
শুধুই কি অভিযোগ
তৌফিক অপু পড়িমরি করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল নাদিয়া। চোখে মুখে উৎকণ্ঠা। বাসার লোকজনও হতবাক নাদিয়ার এমন আচরণ দেখে। মা ছুটে গিয়ে দরজা নক করতেই ভেতর থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে এলো। কি হয়েছে কেউ বুঝে উঠতে পারছে না। অনেক বলে কয়ে দরজাটা খোলানো হলো। কিন্তু নাদিয়ার চোখমুখ দেখে আঁতকে উঠল সবাই। ভয়ে কেমন যেন জড়োসড়ো হয়ে পড়েছে নাদিয়া। কোন কথাই বেরুচ্ছে না তার মুখ দিয়ে। মা কাছে এসে নাদিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেই চিৎকার করে কেঁদে ফেলল নাদিয়া। সেই সঙ্গে আর ভার্সিটি যাবে না বলেও জানিয়ে দেয়। কারণ অনুসন্ধান করে জানা . . .
এতিমদের জন্য একটি স্নেহাগার
সংগঠন নয়, সংবিধান নয়, মানবিক বোধে উজ্জীবিত হয়েই কাঁধে তুলে নেন এতিমদের দায়িত্ব। ১৯৭১ সালের রণাঙ্গন থেকে ফিরে যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সনত্মানদের নিয়ে রাজশাহী শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে পদ্মা নদীর তীরঘেঁষে ডা. সামসুদ্দিন সরকার গড়ে তোলেন একটি ছোট্ট এতিমখানা। যার নাম সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদন। সে সময় এতিমের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৬। এরপর স্থানীয় জনগণের আর্থিক সাহায্য ও নিজের প্রচেষ্টায় এতিমখানার শিশুদের লেখাপড়া শেখানোর জন্য প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত একটি স্কুল স্থাপন করেন ডা. সামসুদ্দিন। সেখানে ৭ . . .
সাদা মেঘের ভেলায়
ড. মধুশ্রী ভদ্র
'শরতে আজ কোন অতিথি এলো প্রাণের দ্বারে আনন্দ গান গারে হৃদয়, আনন্দ গান গা-রে। যে এসেছে তাহার মুখে দেখরে চেয়ে গভীর সুখে।' আজ থেকে প্রায় তিন যুগ আগে উৎসবের দিনগুলোতে গান গেয়ে গেয়ে আমরা ছোটরা খুব উপভোগ করতাম। ছোটবেলা থেকে আমরা একটি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে, আর প্রকৃতির অবারিত জগতে বিচরণ করে বেড়ে উঠেছি। এখন আমারে ছেলেমেয়েরা কম্পিউটার, ইন্টারনেট, সেলফোন, ফেসবুকের মতো নতুন নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করছে ঠিকই, কিন্তু সুন্দর বিশাল এই . . .
বলতে চাই
নারীর এগিয়ে চলা একটি রৰণশীল মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে অনন্যা (ছদ্মনাম)। ছোটবেলা থেকেই চঞ্চল স্বভাবের মেয়ে অনন্যা পড়ালেখায়ও বেশ মেধাবী। কিন্তু অনন্যার পরিবার মেয়েদের পড়ালেখার ব্যাপারে বেশ অনাগ্রাহী। অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় বিভিন্ন জায়গা থেকে অনন্যার বিয়ের প্রসত্মাব আসতে থাকে। অনন্যার পরিবারের সদস্যরা ও তার বিয়ের ব্যাপারে অতি উৎসাহী হয়ে ওঠে। অনন্যার স্কুলের ে রাকেয়া ম্যাডামের হসত্মৰেপে এ যাত্রা ভেসত্মে যায় অনন্যার বিয়ের অয়োজন। এরপর বিভিন্ন সময়ও পরিবার থেকে অনন্যার ওপর মানসিক চাপ বৃদ্ধি করা . . .