মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১১, ২৫ অগ্রহায়ন ১৪১৮
হতেই পারে সে অনাহূত
ইয়াসমীন রীমা
মা, পঙ্গু বাবা ও ছোট ছোট তিনটি ভাইবোন নিয়ে মিলির পরিবার। মিলি সবার বড়। তাই এখন পুরো সংসারের দায়িত্ব তাঁর হাতে। কুমিল্লা বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পাথুরীপাড়ায় মোটামুটি মাথা গোঁজার মতো একটি ঘরে মিলিদের নিবাস। পৈত্রিক সম্পত্তি বলতে ওই অতটুকুই। বাবা স'মিলের কেয়ারটেকার ছিলেন। একটি দুর্ঘটনায় বাবার হাত দু'টি কাটা পড়লে সে কর্মে অক্ষম হয়ে পড়ে। বরাবরই বড় সনত্মান হিসেবে সংসারের সমসত্ম দায়ভার এসে পড়ে মিলির কাঁধে। স্থানীয় মহিলা কলেজে ২য় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। মা-বাবা ভাইবোনদের কথা চিনত্মা করে পড়াশোনা . . .
আজও এগিয়ে আছেন তিনি
নূর কামরুন নাহার
বেগম রোকেয়া এক ব্যতিক্রমী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁর বিশিষ্টতা তাঁকে অনন্য সাধারণই করে তোলেনি, কালের মহান ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। এতটা যুগ-অগ্রগামী, এতটা ধীশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব শুধু বাংলা সাহিত্যেই নয়, সমগ্র বিশ্বসাহিত্যেও বিরল। যদিও বেগম রোকেয়ার সাহিত্য প্রতিভা অনেকটাই ঢাকা পড়ে গেছে তাঁর সমাজ সংস্কারের অক্লানত্ম চেষ্টা ও গুরুত্বের কাছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর বেগম রোকেয়ার জন্ম। তখন সমাজ ছিল অনেক পশ্চাৎপদ। সেই পশ্চাৎপদ সামাজের কুসংস্কারাচ্ছন্ন অংশটির প্রধান ছিল মুসলমান। . . .
উচ্চ শিক্ষায় মুসলিম বাঙালী নারীর অগ্রদূত
(কাজী নজরুল ইসলাম চিঠি লিখছেন ফজিলাতুন্নেসাকে) কলিকাতায় আরও দুই চারিদিন আছি। পত্র সওগাত অফিসের ঠিকানাতেই দিবেন। আপনার শরীর খুবই অসুস্থ দেখিয়া আসিয়াছিলাম। কেবলি মনে হয়, যেন আপনার শরীর ভাল নাই। দু'দিনের পরিচয়ের এতবড় আস্পর্ধাকে আপনি হয়ত ৰমা করিবেন না, তবু সত্য কথাই বলিলাম_আপনাকে দিয়া বাঙলার অন্ততঃ মুসলিম নারী সমাজের বহু কল্যাণ সাধন হইবে-ইহা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। তাই আপনার অন্ততঃ কুশল সংবাদটুকু লইতে মাঝে মাঝে বড্ড ইচ্ছা করে। যদি দয়া করিয়া দু'টি কথায় শুধু কেমন আছেন লিখিয়া জানান-তাহা হইলে . . .
বলতে চাই
বীরাঙ্গনাদের মূল্যায়ন করুন বিজয়ের মাস আসছে। স্বাধীন হলাম আমরা। কত মায়ের কান্না, আর্তনাদ ও বোনের আহাজারি। ভাইয়ের রক্তে রাঙানো দেশ। অনেক বাধা, কষ্ট, গস্নানি কত শহীদের ত্যাগ ও তিতিৰার বিনিময়ে পেয়েছি আমরা স্বাধীন দেশ। আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধে অনেক মহিলা অংশগ্রহণ করেছেন। কেউ সরাসরি কেউ বা প্ররোৰভাবে। কত মহিলা অংশগ্রহণ করেছেন আমরা তাদের সঠিক হিসাব জানি না। আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধে যেসব মা-বোন তাদের অমূল্য সম্পদ ইজ্জত হারিয়েছেন, তাদের হিসাব তো আমরা বলতে পারব না। এমন কি তারা কেমন আছেন, কিভাবে বেঁচে আছেন, . . .