মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১১, ৯ পৌষ ১৪১৮
অপহরণরোধে প্রয়োজন সচেতনতা
ইয়াসমীন রীমা
একমাত্র কন্যার মুখ আর দেখা হলো না শিকদারের। দীর্ঘ সাত বছর প্রবাস করে এসে শুধু ছবিতে দেখা কন্যার আদলটা আর জীবন্ত দেখতে না পারায় সে বিমূঢ় হয়ে পড়ল। এই নিয়ে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্য-সদস্যাদের সঙ্গে কয়েক দফা বচসা হয়ে গেলেও শিকদার কিছুতেই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছিল না। এইভাবে নিজের ঔরসজাত সনত্মানের বলি হবে। শিকদারে ওমান যাবার সময় জেনে গেছে ছিল তার স্ত্রী নয় মাসের অন্তসত্তা। প্রবাস জীবনের দিনগুলো তার কেটেছে বুকভরা আশা নিয়ে। দেশে ফিরে আসবে তার একমাত্র প্রাণপ্রিয় কন্যা ফুলকির মুখ দেখে ভুলে যাবে প্রবাসকালীন . . .
শ্রম আইন কতটা নারীবান্ধব
মাবরুক মোহাম্মদ
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ প্রণয়নের আগে আমাদের দেশে ২৬টি আইন, ১৪টি অধ্যাদেশ, এবং প্রায় ৩৫টি বিধি কার্যকর ছিল। বিভিন্ন সময়ে এই আইনগুলো তখনকার সময়ের প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। এই আইনগুলো প্রণয়নের সময় পূর্ববর্তী আইনগুলোকে বিবেচনায় রাখা হয়নি। ফলে আইনগুলোর মধ্যে নানান রকমের বৈসাদৃশ্য, বিরোধ ও অসামঞ্জস্যতা ছিল। আইনগুলো অনেক ক্ষেত্রে ছিল অস্পষ্ট। যেমন বিভিন্ন আইনে শুধু 'শ্রমিক'-এর সংজ্ঞা বিভিন্ন রকমের ছিল। শিশুদের সর্বনিম্ন বয়সসীমা একেক আইনে ছিল একেক রকম। এছাড়াও আইনগুলো নারীবান্ধব ছিল . . .
নূরজাহান বোসের ডায়েরি
মিনির মা হওয়া
ঞড়শুড় ১০.১২.৯৯ এবার টোকিও আসা একেবারেই অন্য কারণে। মিনির বাচ্চা হবে, তাকে দেখাশোনা করা। এই দূর দেশে মিনি একা। মাইকেল ও মিনি দু'জনেই এখানে কাজ করে তবে মাইকেলের জন্যই মিনির এদেশে আসা। ওদের বিয়ের আগেই মাইকেল এদেশে চাকরি নিয়ে এসেছিল। মিনি তখন নিউইয়র্কে চাকরি করে। ছুটি নিয়ে মাইকেল বিয়ে করতে এসেছিল। ঐড়হবু-সড়ড়হ এর পরে মাইকেল টোকিও চলে আসে। কয়েক মাস পরে মিনি তার নিউইয়র্কের বাসা গুটিয়ে চাকরি ছেড়ে দিয়ে টোকিও চলে এসেছিল। ওরা দু'বছর ছিল। এর মধ্যে মিনি জাপানী শিখে চাকরি যোগার করেছিল। ঞধসঢ়ষব টহরাবৎংরঃু-র . . .
এ দিন তো দিন নয়
ফাহমিদা আমিন
অনেকগুলো দিন পার হয়ে এসে আজ মনে হচ্ছে 'আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম'। আমাদের বাল্যটা ছিল আনন্দময়, তারুণ্য ছিল প্রাচুর্যেভরা, মধ্য বয়স কেটেছে নিশ্চিন্তে, স্বাচ্ছন্দ্যে। কিন্তু প্রবীণ বয়সে যে মানসিক চাপ, দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় যে জটিলতা তার ভার সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা একদিনে হয়নি। দিনে দিনে যেমন বাড়িছে দেনা তেমনি দিনে দিনে অবনতির অতল তলে তলিয়ে যাচ্ছে দেশ। আমরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছি। এমন বাংলাদেশ কি আমরা চেয়েছিলাম! আমরা স্বাধীনতার ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছি। কিন্তু ৪০ বৎসরে আমাদের . . .