মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০১১, ৪ অগ্রহায়ন ১৪১৮
অনিরাপদ মাতৃত্ব ইয়াসমীন রীমা
বিকেল শেষের রাঙা মুকুল ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, সারা গাঁয়ের শরীরে। শানুর মনেও সুখের শিশির। ঘরের দাওয়ায় বসে পাতা ছিড়ে দিচ্ছে ছাগলশাবক দু'টিকে। এমন সুখের ছবি তাঁর শাশুড়ির কাছে মনমরা। রেগে বলে, শানু "পিঁড়ায় ছাগল লাফালে বংশ লোপ পায়। বাতি দেওয়ার কেউ থাকে না"। অসহায় চোখে ভয়ের প্রচ্ছায়া ভারি পেটটায় হাত বুলায় শানু। পাতার ডালটা দূরে ছুড়ে ফেলে হাঁপানো গলায় বলে, আমি মরব তবু পেটেরটাকে মারব না কিছুতেই। শাশুড়ি শাহানার হাত ধরে, বুঝলি শানু_মেয়ে মানুষের জীবন সে তো একটা গাছ। ফুল-ফল না আসলে কি তার দাম? বিয়ের . . .
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিরা
বিশ্বজিৎ মনি এ সরকার নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক পদৰেপ গ্রহণ করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত নারী ক্ষমতায়ন ও তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বে প্রশংসনীয় হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত সংরৰিত মহিলা আসনের নারী সদস্যগণ আজও অবহেলা, অবজ্ঞা ও বৈষম্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েও তাঁরা নিজ নিজ এলাকার জনগণকে সঠিকভাবে সেবা দিতে পারছেন না। পরিষদের পুরুষ সদস্যরা . . .
মৌটুসী মৌন কেন
আজ মৌটুসী নিস্তব্ধ, নিথর। সদা হাস্যোজ্জ্বল মিষ্টি মেয়ে মৌটুসীর সব বদলে গেছে সময়ের বিবর্তনে। কে বদলে দিয়েছে তার জীবনধারা? সে নিজে? সমাজ? পরিজন? এমন তো হওয়ার কথা ছিল না মৌটুসীর। বাবা-মার একমাত্র মেয়ে। খুব ধনীর কন্যা না হলেও সচ্ছল, শিৰিত পরিবারের মেয়ে। যার অকারণ ব্যতিব্যস্ততা, প্রাণবন্ততা সবাইকে মুখর করে রাখত; আজ কার কারণে সে নিস্তব্ধ মৌন? এই তো কয়েক বছর আগের কথা। মৌটুসী সবে কলেজে ভর্তি হয়েছে আর প্রতিবেশী বড়লোক ব্যবসায়ীর ছেলে সুমন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বিবিএর ছাত্র। এক সময় মৌটুসী ও সুমনের সঙ্গে . . .
মেয়েরা কেন এত অবহেলিত
আজকাল পত্রিকা খুললেই দেখতে পাই খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন ইত্যাদি সব শব্দ। এক শ' বছর আগেও যা ছিল এখনও ঠিক তাই আছে। মেয়েদের কোন পরিবর্তন হয় নাই আমার তা-ই মনে হয়। কত মেয়ে যে অকালে ঝরে যাচ্ছে তার হিসাব কি আমরা রাখি। আমাদের সমাজে এখন পর্যন্ত মেয়েদের অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। একটা ছেলে হাজার অপরাধ করেও পার পেয়ে যায়। আর মেয়েটা অপরাধ না করেও দোষী হয়। আর কত সহ্য করতে হবে বলতে পারেন। মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করা কি অপরাধ। আর আমরা কিন্তু বেশি অত্যাচারিত হচ্ছি ঘরে বা বাইরে, প্রকাশ করতে পারছি না লজ্জা, অপমান ও ভয়ের কারণে। . . .