মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১০ জুন ২০১১, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
সেই আমি এই আমি
আতিকুল হক চৌধুরীর আত্মজীবনী
(পূর্ব প্রকাশের পর) আব্বা তা হলে কাকে শুনিয়ে ওই দরগা শরিফে গিয়ে মোনাজাত করলেন। আমিও করলাম। তারপরের দিন থেকেই আমি নাকি ভালোভাবে খেতেও শুরু করেছি। এমনও তো হতে পারে যে, অনেকদিন থেকেই আমার নানা ধরনের এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা চলছিল। তাৎৰণিকভাবে চিকিৎসার সুফল নাও পাওয়া যেতে পারে। এবং সেই এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসাতেই আমি সুস্থ বোধ করলাম। খাওয়াদাওয়াও স্বাভাবিকভাবে শুরু করলাম। মওলা আলীর দরগায় যাওয়াটা একটা কো-ইনসিডেন্ট মাত্র। আবার এমনও হতে পারে যে, মানুষের দেহইতো তার সর্বস্ব নয়। তার একমাত্র পরিচয়ও নয়। তার ভেতরে অদৃশ্য . . .
রবীন্দ্রনাথের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ পরিকল্পনা
সুব্রত কুমার দাস
বিশ্ব পরিব্রাজক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে দুটি মহাদেশে যাওয়ার সুযোগ পাননি সে দুটির একটি হলো অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯১৮, ১৯১৯, ১৯৩৪ এবং ১৯৩৭ সালে চার পর্বে তিনি সে দেশটিতে ভ্রমণ এবং বক্তৃতাদানের বিষয়ে আমন্ত্রণ পান। তাঁর ইতিবাচক সিদ্ধানত্মও সে দেশের পত্রিকাগুলোতে পর্যন্ত ছাপা হয়ে গিয়েছিল অনেক বারই, যদিও শেষ পর্যনত্ম সফল হননি কবি। রবীন্দ্রজীবনীগুলোতে অস্পষ্ট সেসব বিষয় নিয়ে বর্তমান নিবন্ধ। ১৯১৮ সালে প্রথমবারের মতো তেমন একটি সম্ভাবনার কথা উলেস্নখ করেছেন . . .
দি সিটি অব জয়
সৈয়দ শাহ্জাহান
সেদিন আমার বইয়ের আলমারির সামনে দাঁড়াতেই যে বইটি নজরে পড়ল সেটি হলো বিখ্যাত ফরাসী লেখক দোমিনিক লাপিয়েরের লেখা 'দি সিটি অব জয়'। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধান সভা নির্বাচনের পটভূমিতে বইটি আবার পড়ার ইচ্ছে হলো। কারণ সেই ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত অনুবাদের সময় কলকাতার অবস্থা যা ছিল তাই এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট ৰমতাসীন হয়। তার প্রায় ১০ বছর পর বইটি লেখা হয়। অর্থাৎ সেই ১০ বছরেও কলকাতার কোন পরিবর্তন হয়নি। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বাম রাজত্বের অবসান হলো ৩৪ বছর একটানা বাম . . .
অচিন মানুষ
মণীশ রায়
এই শহরে প্রফুলস্নকে কে না চেনে। ব্যবসায়ী মহল, সংস্কৃতি অঙ্গন, রাজনীতিবিদ, শাসক শ্রেণী, খেটে খাওয়া মানুষ_বলতে গেলে সবার নামই নেয়া যায়। প্রশ্ন জাগতে পারে, 'লোকটি কি তাহলে খুব পয়সাঅলা?' এই শহরে পয়সাঅলাদের কমবেশ সবাই চেনে। মাইঝ অাঁটির পাঁচতলার মালিক কনট্রাক্টর শামছু মিঞা, কালীবাড়ি রোডের শ্রী অয়েল মিলের মালিক রাধারমণ সাহা, জেলা স্কুল রোডের কমলালয় বস্ত্রালয় নামের কাপড়ের গদি, স-মিল আর ইটভাঁটির মালিক গণি মিঞা, একাধিক টি-স্টেট ও শিল্প কারখানার মালিক পুরানবাজারের সার ব্যবসায়ী ইসমাইল চৌধুরীর লেখাপড়া . . .
প্রসঙ্গ রাজনীতি সচেতনতা ও রূপরেখা
এখন যে সময়টা চলছে তাতে রাজনীতি ছাড়া কোনো মানুষ নেই। শহর থেকে একেবারে মফস্বলের প্রান্ত পর্যন্ত সবাই প্রত্যৰ বা পরোৰভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সবাই এখন রাজনীতি সচেতন। কিন্তু আপামর জনসাধারণ যতই রাজনীতি সচেতনই হোন না কেন, রাজনৈতিক নেতার জন্য তাদের যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন, আসলে রাজনীতির চাবিকাঠিটা থেকে যায় একটা বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে। সেই গোষ্ঠীটা রাজনীতির মাধ্যমে দেশটাকে যাচ্ছেতাই শাসন করে, ধনী-গরিবের বৈষম্য সৃষ্টি করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে। রাজনীতির মাধ্যমে তার ৰমতাকে ভুল পথে পরিচালনার জন্য যত রকমের অসৎ . . .