মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০১১, ২৭ ফাল্গুন ১৪১৭
আবু জাফর শামসুদ্দীনের আত্মস্মৃতি আপন দর্পণে কাল সমকাল
শান্তনু কায়সার
আবু জাফর শামসুদ্দীনের জন্ম ১৯১১ সালের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে, মৃত্যু ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট। 'আত্মস্মৃতি'র দুটি খণ্ডে ১৯৭১ পর্যনত্ম তাঁর স্মৃতিকথা বর্ণিত। 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'র মতো বৃহৎ কলেবরের উপন্যাস যেমন তিনি রচনা করেছে তেমনি সাংবাদিকতা ও অন্যান্য সামজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- থেকেও নিজেকে দূরে রাখেননি। সৃজন ও মনন উভয় ৰেত্রেই ছিল তাঁর সমান পদচারণা। জীবনের শেষ বিন্দু পর্যনত্ম পান করতে চেয়েছেন। নিজের জন্ম সম্পর্কে বলেছেন, তা ছিল '১৯১১ সালের মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের কোন একটি . . .
জীবনপঞ্জি
আবু জাফর শামসুদ্দীন
জন্ম : ঢাকা জেলার কালীগঞ্জ থানার এক গ-গ্রাম দক্ষিণবাগে। বর্তমানে এই থানাটি একটি উপজেলা এবং গাজীপুর জেলার অধীন। পিতৃ-পিতামহগৃহে ১৩১৭ সালের ২৮ ফাল্গুন তারিখে, শুক্রবার ভোরবেলা, ইংরেজী ১৯১১ মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে। পিতা : মোহাম্মদ আক্কাছ আলী ভূঞা মাতা : আফীফা খাতুন শিক্ষা প্রাথমিক শিৰা পিতৃগৃহে। পিতামহ নাদিরম্নজ্জামান ভূঞা ডাকসাইটে মৌলভী ছিলেন। মৌলানা কেরামত আলী জৌনপুরীর শিষ্য ও ঘনিষ্ঠ সহচর। স্বাভাবিকভাবে পারিবারিক পরিম-লে বিদ্যাচর্চা ও প্রখর নীতিজ্ঞান এবং সমাজ ও রাজনীতি সচেতনতা সক্রিয় . . .
কবিতার কথা
মোহাম্মদ নূরুল হক
কবি কল্পনার রঙের প্রলেপ মুগ্ধকর হৃদয়সংবেদী এবং সৌন্দর্য চেতনা সংক্রামক ব্যাধির মতোই শক্তিমান; প্রায় অলৌকিক ক্ষমতার মতোই জ্যোতির্ময় ও বহুমাত্রিক। নৈতিকতার প্রশ্নে কবি সনত্ম নন। কখনও কখনও স্বর্গের প্রতিও বিতৃষ্ণ হন, অথচ নরকের মধ্যেও পেতে চান নিষিদ্ধ সুখদ ঐশ্বর্যের সন্ধান। এক অর্থে কবি, খুনী এবং প্রেমিকের মধ্যে একটি অভাবনীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ ঐকতান আছে_ এরা তিন জনই ঠাণ্ডা মাথায় খুন করে। হৃদয়ার্তির দিক থেকে এ তিনজনের তাৎপর্যময় ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। কবি মাত্রই প্রচল প্রথাকে সব সময় ঘৃণা না করলেও সন্দেহের . . .
যখন জলহীন চোখ জ্বালা করতে থাকে
খালেদ হোসাইন
যখন কোথাও কেউ নেই_ শূন্যতা ছাড়া আর সেই শূন্যতা কালো পিচের চেয়েও গাঢ় অন্ধকার রোপণ করে দিতে থাকে তোমার মনে জলহীন চোখ জ্বালা করতে থাকে নিরাশ্রয়ের যন্ত্রণা তোমাকে পিষ্ট করতে থাকে তখন কিন্তু আমি আছি তোমার কাছে মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেয়ার জন্য। যখন পৃথিবীর সব জল শুকিয়ে যায় তৃষ্ণায় তোমার হৃদয় খরায় আক্রান্ত জমির মতো চৌচির হতে থাকে মায়াবী মুখের সব স্মৃতি চোরাবালির গর্ভে বিলীন_ তখন কিন্তু আমি আছি তোমার কাছে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়ার জন্য। যখন গাছ থেকে ঝরে যায় সব সবুজ পত্রালি গাছের কাঠামো . . .
অন্ধ নগরী
মাহফুজা হিলালী
ভালোবাসার পংক্তিমালায় ঘুণ ধরে_ ভেঙ্গে যায় স্বপ্নের বুনন উত্তাল নদী গ্রাস করে বুকের জমিন সকল হারিয়ে নিঃস্ব পথিক। পথিক একা এক অন্ধ নগরীর পথে যেখানে রাক্ষসরা সোনার কাঠি-রুপোর কাঠি দিয়ে ঘুম পড়িয়ে রেখেছে ভালোবাসাকে। কাঠি অদল-বদল করে পথিক অধিকার করবে তার ভালোবাসা। . . .