মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১১, ১১ মাঘ ১৪১৭
কেন এমন হলো, দায় কার?
পুঁজিবাজারে বিপর্যয়
রাজু আহমেদ ॥ পুঁজিবাজারে উত্থান-পতন স্বাভাবিক হলেও গত দেড় মাস ধরে দেশের শেয়ারবাজারের সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহ শুধু অস্বাভাবিকই নয়, যে কোন বিচারেই তা নজিরবিহীন ও অনভিপ্রেত। একের পর এক বিপর্যয়ের কারণে বাজারে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে এখন শেষ আশাটুকুও বিলীন হতে বসেছে। এখনই সরকারের দিক থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ বিনিয়োগকারীদের পথে বসার যোগাড় হবে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। সে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শুধু পুঁজিবাজারের এ বিপর্যয়ই বর্তমান সরকারের সব অর্জনকে মস্নস্নান করে . . .
বিনিয়োগকারীদের আকুতি ॥ সর্বস্বান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করুন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রৰার দাবি করেছেন দেশের ৰুদ্র ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ ব্যাপারে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রৰায় কার্যকর পদৰেপ নিন। আপনি কৌশলী ও কঠোর হোন। এইবারের মতো আমাদের বাঁচান। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনুন। আমরা কথা দিচ্ছি, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ আইনের যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে ৫২, ৬৯, ৭০ ও ৭১ এর মতো অর্থনৈতিক মুক্তির গণআন্দোলনে রূপ দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ . . .
মূল্য কারসাজির নেপথ্যে প্লেসমেন্ট বাণিজ্য
প্লেসমেন্ট বন্ধ ও দরপ্রস্তাবে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের লক ইনের সময় বাড়ানো জরুরী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য কারসাজির নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করছে অনৈতিক পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য। কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণের জন্য পেস্নসমেন্ট শেয়ার বরাদ্দ দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে ম্যানেজ করেছে ইসু্য ব্যবস্থাপকরা। এ শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা বাড়াতে বুকবিল্ডিং প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত মূল্য নির্দেশ করছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। ফলে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের সুযোগ বন্ধ করা গেলে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন রোধ করা সম্ভব হবে . . .
কমছে বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার
শীর্ষ নিউজ ডটকম ॥ উন্নয়ন সহযোগীদের নানা শর্তের বেড়াজালে বৈদেশিক সাহায্যের অর্থছাড় করা হচ্ছে না। অর্থ ছাড়ের এ জটিলতায় দেশে ক্রমেই কমছে বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার। ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) মাত্র ৫ হাজার ৭শ' ৩০ কোটির কাছাকাছি বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের অর্থ ছাড় করা হয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে উন্নয়ন সহযোগীরা বৈদেশিক সাহায্যের অর্থ ছাড় করে ৯ হাজার ১শ' ৫৭ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে অর্থ ছাড় কমেছে ৩ হাজার ৪শ' ২৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরের . . .
শেয়ারবাজার বাঁচাতে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়া ঠিক হবে না ব্যাংকগুলোকে
কাওসার রহমান ॥ অর্থনীতিবিদ প্রফেসর মুহাম্মদ মাহবুব আলী বলেছেন, মার্জিন ঋণ বাড়িয়ে ব্যাংকের টাকা শেয়ার বাজারে দেয়া ঠিক হবে না। এমন কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে না যাতে, শেয়ার বাজার বাচাতে গিয়ে ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। অর্থাৎ শেয়ার বাজারকে বাচাতে গিয়ে মুদ্রা বাজারকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়া ঠিক হবে না। দৈনিক জনকণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেয়ার বাজার ধসের বর্তমান ধাক্কা সামলে উঠতে ছয় সাত মাস সময় লেগে যাবে। ভারতেই পুজি বাজারের ধস কাটাতে সাত মাস সময় লেগেছে। এ সময়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সার্কিট . . .
রফতানি আয় দুই হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ চলতি অর্থ বছরের প্রথম ছয়মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে এক হাজার ২৬ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মাদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এই রফতানি আয় পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪১ শতাংশ বেশি। এ অর্থবছরের বাকি ছয়মাসে এ হারে রপ্তানি আয় হলে চলতি অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লৰ্যমাত্র এক হাজার ৮৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে দুই হাজার কোটি ডলারেরও বেশি আয় হবে। সরকারের গৃহীত ইতিবাচক বাণিজ্য সহায়ক নীতির বাস্তবায়নের দরুন এ আয় অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ মনে করছেন। রবিবার সচিবালয়ে . . .
হিমায়িত খাদ্য রফতানিতে রেকর্ড
শাহ আলম খান ॥ চলতি অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য (চিংড়ি ও অন্যান্য) রফতানি অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে এই খাতের উদ্যোক্তারা। তাদের দাবি এ সময়ে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ কোটি ডলার অতিক্রম করবে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত গত ৬ মাসে ২১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জিত হয়েছে ৩৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি ৫৫ শতাংশেরও বেশি। তবে চিংড়ি রফতানি খাতে উদ্যোক্তারা এই সুখবর দিলেও এর স্থায়িত্ব কতদিন বহাল থাকবে তা নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন . . .