মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, ১০ ফাল্গুন ১৪১৯
যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় কিছু বিদেশী পত্রিকার জেহাদ
শাজাহান মিয়া
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ কাক্সিক্ষত স্বাধীনতার ঘোষণা শোনার জন্য উন্মুখ প্রায় ১০ লাখ আবেগ-উদ্বেলিত শ্রোতায় পরিপূর্ণ রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে মুক্তি ও স্বাধীনতার উদাত্ত ঘোষণা সংবলিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদানের দিনটিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজী দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় নানা রকম উৎসাহব্যঞ্জক শিরোনামে খবর ছাপা হয়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পূর্ব আন্দোলনের অগ্নিঝরা উত্তাল দিনগুলোতে প্রায় সব পত্রিকার মতো তখন এদেশের মহান স্বাধীনতার পক্ষের নির্ভীক ইংরেজী দৈনিক . . .
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬
এম. আর. মাহবুব
(পূর্ব প্রকাশের পর) একুশের হত্যাকান্ডের পর পূর্ব পাকিস্তান বিধান সভায় স্পীকার আব্দুল করিমের সঙ্গে মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ, ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ও আনোয়ারা খাতুন সদস্যের বাগবিতন্ডা এবং মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস সদস্যসহ ৩৫জন সভা ত্যাগ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলে স্থাপন করা হয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। ছাত্রদের একসভা শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন ছাত্র সংসদের ভিপি গোলাম মওলাকে আহবায়ক করে গঠিত হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। তারা ২২ ফেব্রুয়ারি গায়েবানা জানাজা, শোকসভা, মিছিলের কর্মসূচী ঘোষণা করেন। একুশে রক্তাক্ত . . .
বীরের পতন
জাফর ওয়াজেদ
মনে পড়ে বাঘা সিদ্দিকী, সেই একাত্তরের আঠারোই ডিসেম্বর জ্যান্ত দুটো 'দালাল' ধরে এনে ভেজা ভেজা ঘাসের উপর স্টেডিয়ামে লাত্থি মেরে ফেলে দিয়ে অশ্রাব্য সব ভাষা ঢেলে বেয়নেটে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যাযজ্ঞের সূচনাটা কে করেছিলে বীরের তকমা পায়ে দলে অমানবিক কা- তখন ঘটিয়েছিলে কেনো করেছিলে কেনো সেই কথাটা বলতে যে ভুলেই গেলে- সে সব প্রশ্ন জাগে মনে আজ-পতিত বীরের উচ্চকণ্ঠ শুনে যুদ্ধ শেষে অপরাধের বীজমন্ত্র গিয়েছিলো নিজ হাতেই বুনে আজকে ধোয়া তুলসীপাতা, আজকে দেখি অধিক বিবেকবান বিনা বিচারে মানুষ হত্যা, . . .