মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৩, ২৭ পৌষ ১৪১৯
‘রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি মূর্তি ভাবে আমি দেব...।’ (২)
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
যেসব ব্যর্থ কবি সফল কবিদের ক্রমাগত ভুল ত্রুটি ধরেন, সমালোচনা করেন এবং তুখোড় সমালোচক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করতে চান, কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁদের নাম দিয়েছিলেন ‘ছায়াপি-।’ এই সমালোচকদের উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছিলেন, ‘বরং নিজেই তুমি লেখোনা’ক একটি কবিতা, ছায়াপি- দিলো না উত্তর।’ কারণ, এই ছায়াপি-দের কবিতা লেখার ক্ষমতা নেই। কবি ও কবিতার সমালোচনা করার ত্যাদরামি আছে। অধুনা বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী মহলে এই ছায়াপি-ের সংখ্যা বেশি। যে কাজ করার মুরোদ তাদের নেই, সেই কাজ অন্যে (বিশেষ করে রাজনীতিকরা) . . .
স্মৃতির পাতায় ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি
তোফায়েল আহমেদ
আজ থেকে ৪১ বছর আগে ১৯৭২-এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের লায়ালপুরের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ২৮৮ দিন কারারুদ্ধ থাকার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রিয় মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন। সেদিন থেকে জাতীয় জীবনে ‘জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ প্রতিবছর সগৌরবে পালিত হয়ে আসছে। আমাদের জাতীয় জীবনে মহিমাপূর্ণ এ দিবসটি বঙ্গবন্ধুর ভাষায়, ‘অন্ধকার থেকে আলোয়, বন্দীদশা থেকে স্বাধীনতায়, নিরাশা থেকে আশায়’ উত্তরণের বিজয়ের পরিপূর্ণ দীপ্তিতে ভাস্বর। জেলের মধ্যে কবর খুঁড়ে কবরের পাশে . . .
মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
সরদার সিরাজুল ইসলাম
মহানায়কের অবস্থান নিয়ে ইতিহাসে বহু ঘটনা। কিন্তু নায়ক শত্রুর কারাগারে বন্দী, তাঁর নামে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন এবং কোনরূপ পণ না দিয়ে শত্রু সেই মহানায়ককে সসম্মানে ফেরত পৌঁছানোর ঘটনা শুধু একটিই। সেই মহানায়ক বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সবাই জানে ২৫ মার্চ রাত দুপুরে পাকবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে আটক করে এবং মুক্ত হন ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। তবে সেই স্বদেশ ফেরার ঐতিহাসিক ুপবিত্র দিনটির স্মরণে এই আলোচনা। বঙ্গবন্ধু যদি ১০ জানুয়ারি না ফিরতেন এই বিষয়ের ওপর প্রবীণের . . .