মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১, ৩ আশ্বিন ১৪১৮
সরকারের সমালোচনা-সংস্কৃতি
বেলাল বেগ
একুশে-ভূষিত, বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ শিল্পী আবু তাহের মিষ্টভাষী, বিনয়ী ও গভীর বোধসম্পন্ন একজন নির্লিপ্ত মানুষ। তাঁদের হাসি-খুশি প্রাণবন্ত পরিবারটি ঢাকা শহরে আমার অন্যতম সুখ-উৎস ছিল। গৃহকর্ত্রী মেহেরুনি্নসা বাইরে সমীহজাগানো জাঁদরেল অফিসার ছিলেন। কিন্তু ঘরে এলে স্নেহে, দয়ামায়ায়, প্রেমপ্রীতি-যত্নআত্তি, হাসি-আনন্দ, কোমলে-কঠোরে অতুলনিয়া একজন বাঙালী বধূ ও মা হয়ে যেতেন। তাহের-পরিবারের আনন্দ-সরোবরে তিন ভাইবোনের মধ্যে পিঠাপিঠি তুলি-জুলি অপরূপ একজোড়া পদ্মের মতো বেড়ে উঠেছে। ছবি অাঁকায় দু'বোন একবার একসঙ্গে জাপান . . .
লিবিয়ার নতুন ক্ষমতা ও 'লিবিয়ার বন্ধুরা' নামক মতবিনিময়সভা
নাদিরা মজুমদার
লিবিয়ার বন্ধুরা' নামে ১ সেপ্টেম্বর প্যারিসে একটি মতবিনিময় সভা বা কনফারেন্স হয়ে গেল। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি কমবেশি ষাটটি দেশকে এবং দশটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন সভায় যোগদানের জন্য, এমনকি আফ্রিকান ইউনিয়নও বাদ যায়নি। সভাটিতে সাকল্যে একত্রিশজন রাষ্ট্রপ্রধান, এগারোজন বৈদেশিক মন্ত্রীসহ উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ, ন্যাটো, আরব লীগের প্রতিনিধি এবং বলাইবাহুল্য জাতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের সভাপতি মুস্তফা আবদুল জলিল ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ জিব্রিল। এর মধ্যে আবার . . .
শহীদ প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম
[আজ শহীদ প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এইদিনে (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন। তাঁর স্মরণে এই লেখা।]
হাজেরা নজরুলের সঙ্গে পথে হঠাৎ একদিন দেখা হয়েছিল। অনেকদিন আগের কথা। তার দিকে তাকিয়ে দেখেছিলাম তার চেহারায় মনোরম এক রক্তিমাভা, পোশাক-পরিচ্ছদে কিছু ব্যত্যয়, আচরণে লাজুকতা। কিছুতেই সে যেন সহজ হতে পারছিল না। ব্রীড়াবনতমুখ। কিন্তু নিজেকে আর লুকিয়ে রাখতে পারল না, সলাজ হাসিতে জানাল_ওর বিয়ে হয়েছে। ওদের যুগল ছবি বের করে দেখাল তখনই। বেনারসি শাড়ি আর চুমকি বসানো জালি ওড়নার আড়ালে লাজনম্র বধূ-মুখ। সারা দেহে স্বর্ণাভরণ কপালে টিকলী টানা। মুখখানা ঝুঁকে রয়েছে বুকের ওপরে। আর তার পাশে বসে রয়েছেন অধিকারের সুরভিত আনন্দে . . .
ক্ষমতা কুক্ষিগত করা এই লোকগুলো কি কখনও হেমিংওয়ে বা স্টেইনবেক পড়েছে
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) এ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান তারপর তার দৃষ্টি ফেরালেন চাঁদপুরের ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার এবং কচুয়ার সাবরেজিস্ট্রারের দেয়া সাক্ষ্যের দিকে। তিনি স্পষ্ট করে দেখালেন যে, তাদের সাক্ষ্যে ড. আলমগীরকে দোষী সাব্যস্ত করার এবং বাদীপক্ষের দুরভিসন্ধির মোড়কে পরিবেশিত অর্ধসত্যের পক্ষে কিছু ছিল না। বাদীপক্ষের এই দুই সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তি ছিল সরকারের স্থায়ী রেকর্ডপত্র। তাদের দেয়া সাৰ্য তাদের পৃথক অবস্থান চিহ্নিত করেছে বাদীপৰের হয়রানির উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা থেকে, শেষ পর্যন্ত . . .