মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ৯ আগষ্ট ২০১১, ২৫ শ্রাবণ ১৪১৮
অলি আহমদের যত কথা ও ভবিষ্যদ্বাণী
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
'রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই' এমন একটি কথা রাজনীতিবিদগণই বলছেন। আবার তাঁদেরই অনেকের মুখ থেকে উচ্চারিত কথারও কোন শেষ নেই। আজ এক কথা বলছেন তো দু'দিন পর ঠিক উল্টো সুরেও কথা বলার নজির তাঁরাই হরহামেশা স্থাপন করছেন। অলি আহমদ তাঁদেরই একজন বললে আশা করি তিনি ক্ষুব্ধ হবেন না। তবে কারও কারও মতে, তিনি এৰেত্রে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন। বলা যায়, ছাড়িয়ে যাওয়ার মাত্রা বা দূরত্বটাও অনেক বেশি, কেউ তাঁকে আর ছুঁতে পারবে না_এটি নিশ্চিত করেই বলা যায়। অলি আহমদ এক সময় বিএনপির খুবই প্রভাবশালী তো ছিলেন, . . .
ব্রেইভিক নামের আধুনিক নাইট কমান্ডার
নাদিরা মজুমদার
এন্ডারস বেরিং ব্রেইভিক ২০১১ সালের ২২ জুলাই, শুক্রবার, বেশকিছু মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে ও সরকারী ভবনে বোমা ফাটিয়ে সংবাদের শিরোনাম দখল করে নেয়। এই দুষ্কর্মের জন্য ব্রেইভিকের সাজা অবশ্যই হবে। যদি প্রমাণ হয় যে ব্রেইভিক ঠাণ্ডা মাথায় এই অযৌক্তিক খুনখারাবি করেছে, তবে নরওয়ের অপরাধ আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত জেলবাস হতে পারে। তাই যদি হয়, তবে ২১ বছর বাদে ছাড়া পাওয়া ব্রেইভিকের বয়স হবে ৫৩ বছর; যথেষ্ট তরুণই থাকবে সে। নরওয়ের সরল বিশ্বাস যে আপাতদৃষ্টে ২১ বছর সময়টা কম মনে হলেও পুনর্বাসনমূলক বা সংস্কারমূলক . . .
এম আর আখতার মুকুল
আজ নয়ই আগস্ট মুকুলভাইয়ের শুভজন্মদিন। মুকুল বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো 'বিরাশি'। 'বিরাশি' কি খুব একটা বড় সংখ্যা? বিরাশি বছর বয়সী মুকুলভাই কি বেশি বৃদ্ধ হয়ে পড়তেন? জন্মদিনের অনেক ভালবাসা আমার ভাইটির জন্য। মুকুলভাই সব সময় তাঁর গৌরব ও আবেগের এদিন পরিবারের সীমার মাঝেই বেঁধে রাখতে ভালবাসতেন আর তাই প্রতিটি নয়ই আগস্টকে ঘিরে যা কিছু হতো সবই তাঁর ঘরের মাঝে, খাওয়ার টেবিলে, উপহারের মেলায়, ভাইবোন ছেলেমেয়ে নাতিনাতনিদের সঙ্গে খাওয়া শেষে গভীর রাত অবধি গালগল্পের আড্ডা, হাসির কথা খুশির কাহিনী . . .
আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আইনের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) এ ধরনের নির্দিষ্ট চাহিদামতো ছকে দেয়া সম্পদ বিবরণী আর কোন নির্দিষ্ট ফরমেট এবং সম্পদের কোন সংজ্ঞায়ন ছাড়া প্রণীত সম্পদ বিবরণীর মধ্যে একটি ব্যবধান ঘটে। যেমন, শেষোক্ত রকমে আমাকে দুদকের কাছে সম্পদ বিবরণী তৈরি করে দিতে হয়েছিল, বিশেষ এক সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জেলে থাকাকালীন সংশিস্নষ্ট দলিলপত্র ও আইনজীবীর সহায়তা ছাড়া। তাছাড়া আয়কর দেয়া হয়েছে কিস্তিতে, অর্থাৎ আয়ের উৎস ও আগাম ধারণা বিবেচনায় নিয়ে। এবং এটা বেশিরভাগ সময় আমার ক্ষেত্রে (প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে) সরকারের পক্ষ থেকে এসেসমেন্ট, . . .