মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২৪ জুন ২০১১, ১০ আষাঢ় ১৪১৮
শিশুদের শিক্ষা দান ও সংস্কৃতিচর্চা
আনিসুজ্জামান
আমাদের দেশে কোন বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃতু্য হলে দাবি করা হয় যে, তাঁর নামে একটি রাসত্মার নামকরণ হোক এবং তাঁর কর্মময় জীবনের বিবরণ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হোক। মৃত মহাত্মা যদি লেখকশ্রেণীর হন, তাহলে সমস্বরে এ কথা বলা প্রথাসিদ্ধ যে বাংলা একাডেমী থেকে তাঁর রচনাবলী প্রকাশ করা এবং পাঠ্যপুস্তকে তাঁর রচনা সঙ্কলন করা প্রয়োজন। আমরা যখন নানান আনত্মর্জাতিক দিবস পালন করে থাকি_ যেমন, জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা-দিবস, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস, বর্ণবেদবিরোধী দিবস, নারী দিবস, শিশু-অধিকার দিবস_তখন এ কথা বলা আমরা সমীচীন বোধ . . .
ইয়েমেনের অসমাপ্ত বিপ্লব
মূল : তাওয়াক্কল কারমান
ভাষান্তর : এনামুল হক
পাঁচ মাসের বেশি লাগাতার বিক্ষোভ-সমাবেশের পর আমি হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছি চেইপুত স্কোয়ারে। এক মহতী স্বপ্ন আমাদের সবাইকে ঐক্যের নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছে। বিৰোভকারীদের সঙ্গে তাঁবু খাটিয়ে আমি দিনের পর দিন, রাতের পর রাত অতিবাহিত করেছি। মর্টার, মিসাইল ও আগ্নেয়াস্ত্রের গুলির হুমকি অগ্রাহ্য করে আমি রাজপথে বিৰোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছি। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আমি সংগ্রাম করেছি। তবে সেই সঙ্গে আমার তিন শিশুসন্তানের যত্ন নিতেও ভুলিনি। আমরা আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে . . .
জ্বালানি সমস্যার সমাধানে কয়লা খনি থেকে ভূ-অভ্যন্তরে গ্যাসফিকেশন
শামসুদ্দিন আহমদ
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত কয়লা খনিসমূহ এদেশের জনগণের কল্যাণে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক, পরিবেশবান্ধব, কারিগরিভাবে উত্তম পদ্ধতি কয়লার ভূ-অভ্যন্তরে গ্যাসফিকেশন করে আহরণ করা। এটি টহফবৎমৎড়ঁহফ পড়ধষ মধংরভরপধঃরড়হ বা টঈএ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে আহরণ করা গ্যাস সরাসরি বিদু্যত উৎপাদনে ব্যবহার করা যায়, রাসায়নিক সার এবং পেট্রোকেমিক্যালের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর ব্যবহার এবং ট্রান্সপোটেশন প্রাকৃতিক গ্যাসের মতোই। এই পদ্ধতিতে যেহেতু কয়লাকে মাইনিং করতে হয় না সুতরাং মাইনিংয়ের পরিবেশগত বিপর্যয় এবং মাইনিং সেফটি মোকাবেলা . . .
স্বীকার করেন প্রতিবেদনে কাটাকাটির জায়গাগুলোতে তিনি অনুস্বাৰর করেননি
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
গত বুধবারের পর এ্যাডভোকেট রেজাউর রহমানের জেরায় সাৰী জানালেন, গ্রামে সিতারার এতিমখানা চালানোর বিষয়টি তিনি জানেন। তিনি আরও জানেন, বাড়ির কেয়ারটেকারসহ যে কেউ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দিতে পারেন; সাৰী কখনও লিখিতভাবে আমার ব্যাংকে কত টাকা আছে জানাননি; আমিও সেভাবে জানতে চাইনি। আমার পরিবার ঐ এলাকায় কতটা জনপ্রিয় তিনি জানেন না। একটু চিন্তা করে পর মুহূর্তে বললেন, স্থানীয়ভাবে আমার পরিবারের সুনাম আছে। 'ড. আলমগীর কি নিজে কখনও টাকা জমা দিতে কিংবা তুলতে আপনার ব্যাংকে গেছেন?' . . .