মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০১১, ২ আষাঢ় ১৪১৮
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে?
আহমেদ সুমন
প্রথমে বলা প্রয়োজন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের 'কৃতিত্বের'(!) দাবিদার বাংলাদেশ। এই কৃতিত্বের ভাগীদার দেশের রাজনীতিবিদগণ। বিশ্বের কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রচলন হয়েছিল কি না তা জানা যায়নি। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নমুনা দেখে পাকিস্তানে গোলাম মোস্তফা জাতুইর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছিল। এরপর বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র ও কূটনীতিক বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রশংসাও করেন। আলোচ্য নিবন্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইসু্য নিয়ে . . .
নিরাপদ মাতৃত্ব ও কিছু কথা
মাঈনউদ্দীন আহমেদ মাহী
মা শব্দটি অতি মধুর। মাতৃত্ব অর্জন যে কোন নারীসত্তাকে সন্তনকে পরিপূর্ণতায় পেঁৗছে দেয়। গর্ভবতী মাকে অনেক কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়। অন্যথায় মা ও শিশু উভয়েরই মৃতু্যর ঝুঁকি থাকে। তাই যিনি মা হবেন তার অবশ্যই স্বাস্থ্য উন্নয়ন সচেতনতা বাড়ানো ও যথেষ্ট পরিচর্চা করতে হবে, গত ২৮ মে ছিল মাতৃত্ব দিবস। আনত্মর্জাতিক অঙ্গনে নিরাপদ মাতৃত্ব বিষয়ে পরিকল্পনা করা হয় ১৯৮৭ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে উন্নয়ন সহযোগীদের বৈঠকে। ১৯৯৭ সালে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন পর্যালোচনা করে . . .
পরিবেশ নিয়ে ভাবার সময় হয়েছে
পরিবেশের সব উপাদান আমাদের পরিবেশকে যেমন সুন্দর করে, আবার দূষিতও করতে পারে। প্রকৃতির অনুকূল পরিবেশে একদিন জীবন সম্ভব হয়েছিল এ পৃথিবীর বুকে। বনাঞ্চলের পরিমাণ বেশি এবং জনসংখ্যা কম থাকায় বায়ুমণ্ডলে আমাদের তথা সব জীবকুলের বন্ধু অক্সিজেনের অভাব ছিল না। খাদ্য ও জলে ছিল সতেজ বিশুদ্ধতা। কিন্তু জীবনকে উন্নত করার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞান যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করল, অমনি পরিবেশ আর আগের মতো রইল না। বিজ্ঞানের নিরঙ্কুশ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পৃথিবীতে ডেকে আনা হলো অতি যান্ত্রিকতা। ফলে প্রকৃতির সঙ্গে তার . . .
আজম খানের চলে যাওয়া
ডা. এসএম শফি উদ্দীন/এস এম নাজমুল হক
আজম খান। পপগুরু নামেই যিনি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের পর 'উচ্চারণ' নামের একটি ব্যান্ডদলের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেন। একসময় অংশ নেন বিটিভির এক অনুষ্ঠানে। ১৯৭৪-৭৫ সালের দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে 'রেললাইনের ঐ বসত্মিতে' শিরোনামের গান গেয়ে হইচই ফেলে দেন তিনি। তাঁর পাড়ার বন্ধু ছিলেন পপসঙ্গীতের আরেক দিকপাল বর্তমানে প্রয়াত ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তাঁরই মাধ্যমে আজম খান পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজদের সঙ্গে। একসঙ্গে বেশ কিছু অসম্ভব জনপ্রিয় গান করেন তাঁরা। ১৯৮২ . . .