মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০১১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তিন দশক
এড. আনিসুর রহমান দিপু
ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলবে এটাই হলো ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম। বর্তমান বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন, জননেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেলায়। ব্যক্তি কখনও ইতিহাস সৃষ্টি করে, নাকি ইতিহাস ব্যক্তির ব্যক্তিত্বপূর্ণ সৃষ্টিশীল কাজের মধ্য দিয়ে ইতিহাস রচনাকারীকে ইতিহাসের অংশ করে নেয়। সে প্রসঙ্গে না গিয়েও বলা যায় গণতন্ত্রের নিভর্ীক মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজে যেমন ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন নিজস্ব কর্মগুণে, তেমনি ইতিহাসও তাঁর পাশাপাশি নিরলসভাবে হেঁটে চলেছে ছায়ার . . .
মা দিবস ও মাতৃতান্ত্রিক গারো জাতি
গৌরব জি পাথাং
প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি গারো জাতি তাদের মাকে বিশেষ সম্মান দিয়ে আসছে। গারো জাতি তিব্বত থেকে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন জাতির সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়। তখন মায়েরাই ছিল সবকিছুর অধিকারী। মায়েরাই সন্তান দেখাশোনা থেকে শুরু করে বিষয় সম্পত্তির দেখাশোনা করত। সেই ধারাবাহিকতা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান। মায়ের নামেই পরিচিত হয় তার সন্তানেরা এবং মায়ের সূত্র ধরেই আবর্তিত হয় গারো সমাজ। গারো সমাজ মাকে কেন্দ্র করেই তার সব কিছু শুরম্ন করে। মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হয় তার সন্তানেরা। মায়ের বংশে বা গোত্রে তার সনত্মানেরা থাকে। . . .
উপেক্ষিত শহীদ পরিবারগুলো কি বঞ্চিতই থাকবে?
দিদার উল আলম / এসএম কবির হোসেন / মহিউদ্দিন
স্বাধীনতার প্রায় চার দশক পরও স্বাধীনতাযুদ্ধে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের পরিবার-পরিজন মানবেতর জীবনযাপন করছে, এটুকু কী ভাবা যায়? এটুকু ভাবা না গেলেও বাস্তবতা কিন্তু তাই। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে নিজের জীবন উৎসর্গ করে যাঁরা দেশকে স্বাধীন করেছেন, বর্তমান দেশের নাগরিকরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করলেও যাঁদের জীবনের বিনিময়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছে তাঁদের পরিবার-পরিজন তথা শহীদ পরিবারের ছেলেমেয়ে-স্ত্রীদের অনেকেই এখনও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অসহায় ও বঞ্চিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের . . .
তসলিমা নাসরিন ও মৌলবাদীদের আস্ফালন
কংকন পুরকায়স্থ
তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের একজন ডাক্তার ও লেখক। সেই সাথে নাগরিকও। কিন্তু আজ প্রায় ষোল সতেরো বছর ধরে বিদেশে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। তসলিমা নাসরিনের যে যোগ্যতা রয়েছে তাতে তিনি পৃথিবীর যে কোন উন্নত দেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে পারবেন। কিন্তু তিনি কোন দেশেই স্থায়ী হননি। আসলে হতে চাননি। তসলিমা নাসরিনকে কেউ পছন্দ করতে পারে, কেউ পছন্দ নাও করতে পারে। এটা তো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। একজন মানুষকে সবাই সমানভাবে পছন্দ করে না। কারণ তসলিমা নাসরিন হয়ত একটু বেশিমাত্রায় প্রতিবাদী। কিন্তু তার প্রশংসনীয় দিক হলো এক তসলিমা অন্যায় . . .
আমিনীদের কাছ থেকে সাবধান থাকতে হবে
রিচার্ড টি মধু
স্বাধীনতার ৪০ দশক পরেও আজও এদেশে নারীদের প্রকৃত মূল্য ও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। এদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে এবং স্বাধীনতা লাভের জন্য যেসব আন্দোলন হয়েছে তার প্রতিটি ক্ষেত্রে এদেশের নারীদের অবদান ছিল। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে নারীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে দেখা যায়, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। ভারত উপমহাদেশে যখন ব্রিটিশ শাসন ছিল, ভারতের স্বাধীনতার জন্য কিন্তু নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। এমনকি তখন আমাদের দেশ ভারতের সাথে যুক্ত ছিল। এদেশের নারীরাও সেই সময় ব্রিটিশদের বিরম্নদ্ধে সক্রিয়ভাবে . . .