মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১৬ মে ২০১১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
সামাজিক সংস্কারমূলক আইন
এ এম এম শওকত আলী
রাষ্ট্র মাঝেমধ্যে সামাজিক সংস্কারমূলক আইন প্রণয়ন করে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এ রীতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সামাজিক সংস্কারমূলক আইন প্রণয়ন করার বিষয়টি জটিল। এ ধরনের আইন প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্র তথা ক্ষমতাসীন সরকারকে প্রবল বাধার মুখে উপনীত হতে হয়। ব্রিটিশ আমলে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রের শাসনে কোন গণতান্ত্রিক কাঠামো ছিল না। এ কারণেই এ অঞ্চলকে প্রশাসনিক রাষ্ট্র হিসাবে গণ্য করা হতো। অর্থাৎ শাসক যা বলবে তাই হবে। ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই এর কিছু পরিবর্তন লক্ষণীয় ছিল। তখনও গণতান্ত্রিক কাঠামোবিহীন . . .
নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস এবং অপরাধ থেকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি
শাহরিয়ার কবির
(গতকালের পর) তিনি বাংলানিউজকে বলেন, 'গ্রামীণ ব্যাংক থেকে নিজের নামে দু'দফা ঋণ নেয়ার পর আরও কয়েক গ্রুপ সদস্য সবিতাকে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে দিয়েছিলেন। সবিতা ঋণের টাকা দিতে না পারায় ওই সদস্যরাই ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর ঘরে গিয়েছিলেন। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সদস্যদের ওপর টাকা পরিশোধের চাপ দেয়া হয়েছিল। তবে ঘরে ঢুকে লুটপাট করার কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি।' কানুনগোপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মশিউর রহমান বাংলানিজউকে বলেন, 'গ্রামীণ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। কালেকশন ম্যানেজার . . .
সিডনির মেলব্যাগ
আধুনিক ব্যাংকিং ও অগ্রসর হবার আহ্বান
অজয় দাশ গুপ্ত
দীর্ঘকাল ব্যাংকিং পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। দেশেও জীবন শুরু করেছিলাম ব্যাংকিং পেশায়। এক কালে মানুষ বিনিময় প্রথায় বিশ্বাস করে লেনদেন করত। তখনও অর্থ ব্যবস্থা বা মুদ্রার প্রচলন ঘটেনি। মুদ্রা ব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকিং ধারণার শুরু। দূর অতীতে না গিয়ে বর্তমানের দিকে তাকালেও এর যথার্থতা প্রমাণ করা সম্ভব। এখনও মহাজনী আর সুদের ব্যবসা চলছে। মুখে যতই বলি না কেন, আধা সামন্ততান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থায় ব্যাংকিং বা আর্থিক খাত যতটা গুরুত্বের, ততটাই বিপজ্জনক। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যাংকিং বা আর্থিক খাতে বিপুল পরিবর্তন . . .
আমার বিষণ্নতা কাউকে বুঝতে দেইনি
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
অনুবাদ : মাহযুবা লিমা
(গতকালের পর) সেদিন ছিল ২৭ মে ২০০৭। সকাল ন'টা থেকে শুরু করে ত্রিশ মিনিটের সংক্ষিপ্ত মধ্যাহ্ন বিরতির পরও বেশ কিছুক্ষণ আমার আইনজীবীদের যুক্তিতর্কের উপস্থাপন চলল। আমার বিরুদ্ধে স্পষ্টত কোন মামলা চলে না_ এই বলে তারা উপসংহার টানলেন। কিন্তু কোন ফলোদয় হলো না। আদালতকক্ষে প্রবেশ সীমিত থাকায় আইনজীবী ছাড়া বড়জোর বারোজনের উপস্থিতি ছিল। এই নিয়ন্ত্রণ প্রবণতা ক্ষমতাসীনদের উন্মুক্ত বিচারভীতির বহির্প্রকাশ। বিকাল পাঁচটায় নীরস এবং ভীতিকর ভঙ্গিতে গুরুগম্ভীর চেহারায় বিশেষ বিচারক প্রথমে মেজর এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর . . .