মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০১১, ২০ চৈত্র ১৪১৭
ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোটা ধর্মের কাজ
মুনতাসীর মামুন
এক যুগ আগে আমার একটি মেয়ে হয়েছিল,' ফোনে জানালেন ভদ্রমহিলা, 'তারপর এক ছেলে। এই এক যুগ আমাকে শ্বশুরবাড়ির নানা গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে। সম্পত্তি সংক্রান্ত।' কান্নাভেজা কণ্ঠে জানালেন তিনি, 'ভেবেছিলাম শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে আমাদের দিকটা দেখবেন। কিন্তু কই? উনি ভাল মানুষ, তা ওনার আশেপাশে কাদের রেখেছেন।' তিনি গৃহবধূ বটে কিন্তু মনে হলো রাজনীতিসচেতন। আমার ফোন নম্বর কিভাবে পেয়েছেন জানি না। গতকাল সারাটা দিন আমি এ রকম অজস্র ফোন পেয়েছি। আমি সেলফোনে অভ্যস্ত নই, নিজের ফোন নম্বরটা . . .
বিচারপতি মাহবুব মোরশেদ
জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ গত হয়েছেন এগারো বছর পূর্বে কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে জীবিত আছেন আমাদের মধ্যে। সফল আইনজীবী বা প্রতিভাবান বিচারক, এর মধ্যেই তাঁর পরিচয় সীমাবদ্ধ থাকেনি। যদি তাই হতো তাহলে তাঁর স্মৃতিও একটি পেশাগত গণ্ডির মধ্যেই সীমিত থাকত। বলা বাহুল্য, বিচারপতি মোরশেদকে যখন জাতি স্মরণ করে, তখন জাতির দৃষ্টিতে একজন বিচারপতিই ধরা দেয় না, এমন একজন ব্যক্তিত্ব ধরা দেয় তাঁকে আমাদের অত্যন্ত কাছের মানুষ বলে মনে হয়। এই উক্তির মধ্যে হয়ত একটু স্ববিরোধিতা রয়ে গেল। বিচারপতি আর যাই হোক, কাছের মানুষ হলো তাঁর . . .
খেতাববঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধা ইমদাদুল হক শরীফ
ক্যাপ্টেন শাহাবউদ্দিন বীরউত্তম (অব)
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য অজস্র লোক অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তারা অনেকেই সাহসিকতার জন্য বিভিন্ন মানের বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। কিন্তু এ কথাও সত্যি যে, যুদ্ধক্ষেত্রে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করেও অনেকে এই খেতাব পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। খেতাব অবশ্যই পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা থেকে দুর্ভাগ্যক্রমে বঞ্চিত হয়েছেন যারা, তাদের অন্যতম হলেন ইমদাদুল হক শরীফ। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন চাঁদপুর জেলার ছেঙ্গারচর উপজেলায়। গ্রামের নামও ছেঙ্গারচর। শরীফ সাহেব ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং . . .
কাশিমপুর জেলে থাকতে অবশ্য পরী কন্যাকে দেখা যায়নি
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(গতকালের পর) আর, একটার পর একটা আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে হাজির হন। বললাম, একজোড়া কেডস আর একটা ট্র্যাকসু্যট কেনেন। করিডরে আর নিচে মাঠে হাঁটাহাঁটি করেন। শরীর ভাল থাকবে। কথামতো কাজ করলেন। খুশী হলাম স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগী হওয়ায়। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ তার স্ত্রী এবং নাতি-নাতনিদের নিয়ে চিন্তিত। তার ছেলের বউ সুইডিশ। বললাম, আপনার স্ত্রীর সাথে ছেলে, ছেলের বউ আর বাচ্চাদের দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিন। এদিক সেদিক ঘুরে মিসেস মোশাররফ সবাইকে সাথে নিয়ে নিরাপদে সুইডেন পেঁৗছলেন। এরপর আমরা সবাই মিলে ধৈর্যের সাথে পুরুষোচিত . . .