মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১১, ১ বৈশাখ ১৪১৮
এসো হে বৈশাখ এসো...
ইতিহাস ঐতিহ্য জাতি ধর্ম, বর্ণ কুসংস্কার, অনাচার হাসি, কান্না বিভেদ ভুলে, প্রকৃতির সনি্নধ্যে, অকুণ্ঠ ভালবাসা আবেগ-অনুভূতির ক্ষণে এসো হে বৈশাখ। মেঠোপথ ধরে গায়ের বধূদের আলতা রাঙা পদস্পর্শে পানত্মা ইলিশ, কাঁচাঝাল ও পেঁয়াজ অনেক রকম ভর্তার সমারোহে এসো হে হৃদয় ছুঁয়ে। অতীতের জীর্ণতা-গস্নানি ভূলে, সেই সঙ্গে পুরনো অভিজ্ঞতাকে সম্ব্বল করে এসো আমরা আমাদের আগামী দিনগুলো সুখ-স্বপ্ন আনন্দে ভরে তুলি। ধর্ম ব্যবসার নামে শকুনের কালো থাবা থেকে মুক্ত থাকুক আমাদের হাজার বছরের লোকায়ত ঐতিহ্যের সংস্কৃতি। কবি গুরম্নর গানের . . .
পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসুন
কয়েক বছর আগেও আমরা পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করতাম না। অথচ এখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েও পরিবেশ নিয়ে পড়ানো হয়। আজ আমাদের দেশ পরিবেশ রৰায় গলা ফাটালেও অবাধে কাটা হচ্ছে বন্যা গাছ-গাছালি। আমাদের দেশে অনেকেই পরিবেশ রৰায় কোমড় কাছা দিয়ে নেমেছে; কিন্তু তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বনদসু্যরা তাদের সাধ্য সিদ্ধি করছে। চলছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা। বাংলাদেশ এর আয়োজকের ভূমিকায় ছিলেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে হয়েছে ম্যাচগুলো। সেই উপলৰে দেখেছি চট্টগ্রাম শহরের রাস্তার ধারে বড় বড় কিছু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে; . . .
বাসযোগ্য দেশ আর কতদূর
আমার জন্মভূমি বাংলাদেশ, একটি সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলার দেশ। বাংলাদেশের মতো এমন সমতল উর্বর দেশ খুব কমই আছে। লোকে বলে যেখানে বীজ পড়ে সেখানেই শস্য ফলে। অন্যান্য দেশের মতো এত কষ্ট করে শস্য ফলাতে হয় না। এ দেশ বহু সমৃদ্ধির দেশ; কিন্তু যে ঘটনাগুলো ঘটে তাতে দেশে বাসযোগ্য পরিবেশ থাকে না। যে কথাগুলো বলব তা একটি জীবন অভিজ্ঞতা থেকেই বলব। আমাদের দেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুর্বল তা বলা কতটা যুক্তিসঙ্গত তা জানি না। কিন্তু এই কথা বলতে পারি যে, দেশে অনেক অর্থ, সম্পাদ রয়েছে। আর তা রয়েছে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে। তারা . . .
তত্ত্বীয় জ্ঞানের আলোকে হাতে-কলমে শিক্ষা দিন
মাননীয় রাষ্ট্রপতি ৩০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ১১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে খুবই যুগোপযোগী ও মূল্যবান বক্তব্য দিয়েছেন। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এমনই যে, কতগুলো মোটা মোটা বই মুখস্থ করে পরীৰায় পাস করে সনদ লাভ করা ছাড়া আর কিছু না। কেননা বাস্তব জীবনে গিয়ে দেখা যায়, অনেকের জীবনে সনদ কোন কাজেই আসেনি। যেমন প্রাণিবিদ্যা কিংবা উদ্ভিদবিদ্যার সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে তারা হয়ত ব্যাংকে চাকরি করছে, নয়ত অন্য কোন চাকরি। যার সাথে তার বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার . . .