মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১১, ৩ পৌষ ১৪১৮
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার হবেই হবে
মুহম্মদ শফিকুর রহমান
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। এবার হবেই হবে। খালেদা জিয়া এবং তার গোয়েবলস যত চিৎকার করুক কোন লাভ হবে না। বাঙালী জাতি এবার পাকি হায়েনাদের গণহত্যার সহযোগী রাজাকার-আলবদরদের জন্মদাতা গোলাম আযমদের বিচার করবেই করবে। অসুস্থ সমাজ থেকে মুক্তি এবং নারী নির্যাতনকারী ধর্ষক বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারও করবেন আমাদের মহান স্বাধীনতার মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার। যেমন করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই, জেল-জুলুম মুকাবেলা করে জগৎ কাঁপানো এক সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। . . .
মনীষী কবীর চৌধুরী
জুলফিকার নিউটন
(শেষাংশ) কবীর চৌধুরীর কিছু মূল ভাবনা আমাদের পরম সম্পদ। সে-সব ভাবনাও আমরা প্রত্যেকে হয়ত একইভাবে মানব না। তিনি নিজেও তেমনটা চান নি। কারও একান্ত অনুগামী হওয়াটা তাঁর স্বাধীন জীবনদর্শনের সঙ্গে মেলে না। সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে একান্ত অনুগামিতার বিরোধ আছে। তাঁর উজ্জ্বল মননশীলতা আমাদের অনেকের বহুতর উপলব্ধির সঙ্গে মিলে মিশে কখনও প্রকাশ্যে কখনও প্রচ্ছন্নভাবে আরও বহুকাল প্রবাহিত হয়ে চলবে। কবীর চৌধুরী সাহিত্যে যখন প্রথম আত্মপ্রকাশ করলেন তখন তাঁর বক্তব্যে প্রধান সুর ছিল স্পষ্টতই যৌবনের জয়গান। যৌবনের বন্দনা . . .
বঙ্গবন্ধুর সমাধি হোক সোহ্রাওয়ার্দীতে
ড. কামাল উদ্দীন আহমদ
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমার বয়স ছিল ১৪ বছর। সকাল থেকেই জিন্দাবাহারের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। সেদিন সকাল থেকেই খবর পাচ্ছিলাম আজ পাক বাহিনী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করবে। সকাল থেকে ঢাকার আকাশে তখন মিত্রবাহিনীর যুদ্ধবিমানের মহড়া চলছিল। ইচ্ছা হচ্ছিল ছাদে দাঁড়িয়ে জোরে চিৎকার করে বলি 'জয় বাংলা'। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম বাসার পাশের গলি থেকে এক রাজাকার বাঁশি বাজাচ্ছে, চিৎকার করে বলছে নিচে নেমে যাওয়ার জন্য। হয়তবা বুঝতে পেরেছিল যে আমি জয় বাংলার লোক, বাইরে কার্ফু, কার্ফু পাসও . . .