মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১১, ২ পৌষ ১৪১৮
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের নেপথ্য নায়কগণ
শাহরিয়ার কবির
একাত্তরের পঁচিশ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী হিংস্র হায়নার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর। সেই রাতে শুধু রাজধানী ঢাকায় তারা হত্যা করেছিল প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ। ঢাকার সকল বস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দফতর এবং পুরনো শহরের হিন্দু অধু্যষিত পাড়াগুলো তাদের কামানের গোলায় ধ্বংস হয়েছিল। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন তিরিশ লাখ মানুষ। স্বাধীনতার জন্য এত বেশি মূল্য অন্য কোন জাতিকে দিতে হয়নি। সাতাশ মার্চ থেকে ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ প্রাণ . . .
ফিরে দেখা বিজয়ের চল্লিশ বছর
শেখ রেহানা
আজ ১৬ ডিসেম্বর ২০১১, আমরা বিজয়ের চল্লিশ বছর উদ্যাপন করছি। আমাদের এই অর্জন আমাদের গর্ব, অহঙ্কার ও গৌরব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে বাঙালীকে সর্বাত্মক লড়াই করে শত্রুকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান। বাঙালী তাঁর নির্দেশ মতো ঘরে ঘরে দুর্গ গড়েছে, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে গেরিলা যুদ্ধ করেছে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছে। নিরীহ শান্তিপ্রিয় বাঙালী গ্রেনেড চার্জ করেছে, বোমা ছুড়েছে। বন্দুক-স্টেনগান হাতে বনে-বাদাড়ে, . . .
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধু
সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
আজ আমাদের ৪০তম বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভু্যদয়, সমকালীন ইতিহাসে একটি উলেস্নখযোগ্য ঘটনা। একটি সংকল্পবদ্ধ জাতি সশস্ত্র সংগ্রাম করে কেবল নয় মাসের মধ্যে একটি বহুতল শক্তিশালী ও আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত দখলদার বাহিনীকে সম্পূর্ণ পরাস্ত করে দেশ স্বাধীন করে। সম্পূর্ণ পযুদস্ত ৯৩ হাজার পাক বাহিনী আজকের দিনে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম দুই দশকে বিসত্মৃত ছিল। এগিয়েছিল ধাপে ধাপে। ভাষা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বাধিকার . . .