মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১১, ১ পৌষ ১৪১৮
পরাজিতদের আবার কিসের বিজয় দিবস?
মুনতাসীর মামুন
বর্তমান আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় বেগম জিয়ার দুঃসহ আমলের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় থেকে, রাস্তায়। এখনও তিনি দেখা হলে মন্ত্রী হিসাবে নয়, পুরনো সংগ্রামী হিসাবে সম্মান করেন। আমিও তাঁকে পুরনো সহযোদ্ধা হিসাবে সম্মান করি। অবশ্য তাঁর অনেক রাজনৈতিক কথাবার্তার সঙ্গে আমি একমত নই, তিনিও হয়ত আমার অনেক বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। কয়েক দিন আগে টেলিভিশনে এক আলোচনায় আমরা দু'জন ছিলাম। আমার বক্তব্য ছিল, জিয়াউর রহমান নিজ স্বার্থ অটুট রাখতে রাজাকারদের বুকের গভীরে গ্রহণ করেছিলেন। কামরুল এ . . .
মনীষী কবীর চৌধুরী
জুলফিকার নিউটন
(গতকালের ৯ পাতার পর) ১৯৫৯-৬১ সাল পর্যন্ত বরিশাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘর্দিন অধ্যাপনা করে অবসর গ্রহণ করেন। মেহের কবীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের স্মরণকালের একজন সফল প্রাধ্যক্ষ ছিলেন। কবীর চৌধুরী তিন কন্যার জনক। কন্যারা হলেন-অধ্যাপক শাহীন কবীর (১৯৪৮), রাশেদা কবীর (১৯৫১) এবং নাঈমা কবীর (১৯৫৬)। পিতার সংযমী ব্যক্তিত্ব মাতার দৃঢ়শাসন ও উন্নত রুচিবোধ, মাতামহের বিদ্যানুরাগ ও সৃষ্টিশীল সত্তা কবীর চৌধুরীর . . .
অনন্তলোকে আমাদের শুভ
নীলুফার বেগম
আমাদের প্রাণপ্রিয় শুভ হারিয়ে গেছে অনন্তলোকে। যার পোশাকী নাম ছিল জালাল আলমগীর। সে ছিল আমার পিঠাপিঠি ছোট ভাই ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বড় ছেলে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে শেষ করে দিতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর অস্ত্র ও বোমার আঘাত হানছে যখন, তখন করাচী থেকে বদলি হয়ে দেশে এলো মাসখানেক বয়সের ছোট্ট শুভকে নিয়ে আমার ভাই আলমগীর ও তার স্ত্রী সিতারা। তাঁরা উঠল শুভর নানার বাসায় নবাবপুর রোডে। কয়েক দিন পরে ওখানে নিরাপত্তার ভীষণ অভাব দেখা দেয়ায় শুভর নানি ও ছোট খালাদেরসহ . . .
স্মরণ ॥ কাজী আজহার আলী
দেখতে দেখতে দু'বছর কেটে গেল। কাজী আজহার আলী স্যার আমাদের মাঝে নেই। আজ ১৫ ডিসেম্বর তাঁর দ্বিতীয় মৃতু্যবার্ষিকী। ২০০৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান। যে ক'জন মহানপুরুষ স্বীয় কর্মতৎপরতা, ত্যাগ, ঈর্ষণীয় আর অনুপম ব্যক্তিত্বসত্তা দিয়ে জ্বলনত্ম সূর্যের মতো কালের ইতিহাসে নিজের অস্তিত্বের অনিবার্যতা প্রমাণ করেছেন, কাজী আজহার আলী তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৩৪ সালের ১০ আগস্ট বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানাধীন সৈয়দ মহলস্না গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে . . .