মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০১১, ১৫ অগ্রহায়ন ১৪১৮
আওয়ামী লীগের ভূমিকা ও অবস্থান ইতিহাস নির্দিষ্ট
মমতাজ লতিফ
এটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনীতির ৰেত্রে প্রযোজ্য না হলেও বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য প্রযোজ্য। আশ্চর্য এই যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধানত '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগের ভূমিকা ও অবস্থানকে সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে। এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের অবস্থান কোন অবস্থাতেই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত চার মৌলনীতি_গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেৰতা, বাঙালী জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র এবং অসাম্প্রদায়িকতাবোধ থেকে অন্য কোন দিকে পরিবর্তন করতে পারবে না। এমন কি ব্যক্তি বিশেষ অনুপ্রবেশ করে দলটিকে মুক্তিযুদ্ধের . . .
টবি ক্যাডম্যানকে যে কারণে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি
প্রফেসর ড. মোঃ আসলাম ভূঁইয়া
ইদানীং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী, সমর্থক সর্বোপরি তাদের দেশীয় আইনজীবী একটি প্রোপাগান্ডা অনেকটা খেয়ে আর না খেয়েই চালাচ্ছেন। সেটি হলো, গত ৫ আগস্ট হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকেই জামায়াতী আইনজীবী টবি ক্যাডম্যানকে বেঅইনীভাবে লন্ডনে পত্রপাঠ পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা এই 'বেআইনী' শব্দটির সঙ্গে আবার কিছু শব্দ ও উপমা যোগ করে ব্যাপারটির গাম্ভীর্য আরও দুই-তিন ডিগ্রী সরেস করে ফেলতেও কারিশমা দেখিছে। তারা বলছে, এতে করে নাকি আইনের শাসন পণ্ড হয়ে গেছে, দেশে বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, যুদ্ধাপরাধ বিচারে 'বিশেষ' . . .
মায়াবী মুখচ্ছবির কথা বার বার মনে পড়ছে
শংকর কুমার দে, দুবাই থেকে ফিরে
॥ ৫ ॥ মরুভূমির দেশ দুবাইয়ে পানির জন্য কোন হাহাকার তো নেই-ই, বরং নোনা পানিকে শোধন করে বিশুদ্ধ পানিতে পরিণত করেছে। দুবাইয়ের এত উন্নয়ন ও অগ্রগতি দেখলাম। কিন্তু রাজনীতি, হরতাল, অবরোধ, সভা, সমাবেশ, বক্তৃতা, বিবৃতি দেখলাম না। দেশটিতে গণতন্ত্র নেই। তবু সুখীসমৃদ্ধ দুবাইয়ের মানুষজন। ধর্মীয় গোঁড়ামি নেই। মসজিদ ও মন্দির পাশাপাশি থাকার উদাহরণ আছে। তবে দুবাইয়ে জন্মগ্রহণ করলেই জন্মগতসূত্রে নাগরিকত্ব লাভের কোন সুযোগ নেই। দুবাইয়ে এক সপ্তাহের বেশি ভ্রমণকালে যেসব বিষয় চোখে পড়েছে, আলাপ করে যা জানা গেছে তাতে দুবাইয়ের . . .
সিতারা বইটি পাঠিয়েছে
নোটস ফ্রম এ প্রিয়জন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) মুক্তবাজারের নানা দিকের একটি আদ্যপান্ত ও সুচিন্তিত বিশেস্নষণের পর স্টিগলিজ সংৰিপ্ত উপসংহারে আসেন, "... মিলিয়ন মানুষের কাছে বিশ্বায়নের কোন ইতিবাচক কার্যকারিতা নেই। প্রকৃতপক্ষে অনেকের অবস্থা অধিকতর খারাপ হয়েছে, যখন তাদের চাকরি হারিয়ে গেছে, তাদের জীবন আরও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। নিয়ন্ত্রণের অতীত শক্তির সামনে তারা নিজেদেরকে ক্রমবর্ধমানভাবে ক্ষমতাহীন ভাবছে। তারা দেখছে তাদের গণতন্ত্র দুর্বল হচ্ছে এবং তাদের সংস্কৃতি উৎপাটিত হচ্ছে।" (স্টিগলিজ, জোশেফ ই, গেস্নাবালাইজেশন এ্যান্ড . . .