মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০১১, ১৩ অগ্রহায়ন ১৪১৮
১৯৭১ ॥ ভারতে এক কোটি বাঙালী শরণার্থী ও অতঃপর
রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী
বাংলাদেশ সরকারের শরণার্থীবিষয়ক কর্মসূচী বাংলাদেশ সরকারের শরণার্থীবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের একটু পরিচিতি দেয়া প্রয়োজন। মুক্তিসংগ্রাম সহায়ক সমিতির প্রচেষ্টায় ৩/১ ক্যামাক স্ট্রীটে কেন্দ্রীয় সাহায্য ও পুনর্বাসন কমিটি অফিসের দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউসুফ আলী। বিশেষভাবে সাহায্য করতেন ব্যারিস্টার বাদল রশীদ। মুজিবনগর সরকারের পক্ষে এটাই সর্বপ্রথম সংযোগ রক্ষাকারী অফিস। ক্যামাক স্ট্রীটে স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় ৪৫ প্রিন্সেস স্ট্রীটে অফিস স্থানান্তর করা হয়। মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ এবং পুনর্বাসন . . .
স্মরণ ॥ ডা. শামসুল আলম খান মিলন
ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ
তোমারই ত্যাগে দৃঢ় হলো গণতন্ত্রের ভিত, আমরাও জাগ্রত আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই নিশ্চিত। ২৭ নবেম্বর ২০১১। শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবস বা গণঅভ্যুত্থান দিবসে মিলনের সতীর্থ হিসেবে আমাদের করণীয় সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে। গণতন্ত্র রক্ষা, সুখী বাংলাদেশ গড়তে যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতিবাজ ও দেশদ্রোহীদের বিচার ত্বরান্বিত করা আবশ্যক। বাংলাদেশে চিকিৎসকদের একমাত্র জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) হাজারও সংগ্রাম, অসংখ্য আত্মত্যাগ ও মানবতার সেবায় নিয়োজিত সুপরিচিত ঐতিহাসিক সংগঠন। . . .
এ্যারাবিয়ান ডেজার্ট ট্যুরিস্ট বাসে চড়ে চলছি দুবাই থেকে আবুধাবি
শংকর কুমার দে, দুবাই থেকে ফিরে
॥ চার ॥ মরুভূমির দেশ দুবাইয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ পতাকা, বৃহৎ মসজিদ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বন্ধনের কৃষ্টি, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুউচ্চ স্থান। দুবাইয়ে মানুষজনের চেয়ে বাড়ি বেশি, বাড়ির চেয়ে গাড়ি বেশি। আবার মসজিদ আর মন্দির পাশাপাশি থাকার নিদর্শনও আছে। দুবাইয়ে যেমন মসজিদ বেশি তেমনি আবার বেশি আছে হোটেল আর নাইট ক্লাব। দুবাইয়ের ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থান দখল করে আছে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপিন্স। আর বাংলাদেশী যারা কাজ করছে তারা হচ্ছে নির্মাণ শ্রমিক। পাশ্চাত্যের পর্যটকরা এখন ভিড় করছে দুবাইয়ে। . . .
একজন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী হিসেবে আমি দৃঢ় ও নিঃশঙ্ক হতে পারব না
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) এরপর সম্ভবত উদাসীন্যের ঝড়ো হাওয়ায় বাতি নিভে যাওয়ার মতো এসব কিছু উবে গেছে। আমি তাকে কিরণ বেদির বইয়ের একটি কপি পাঠিয়েছিলাম, এর সঙ্গে দিয়েছিলাম ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে আমার জেলে থাকা অবস্থায় লেখা বইটিও। কিন্তু তাদের মনের জানালার পর্দা সরাতে এবং তাদের অন্তঃপ্রশাসনের খিলান অতিক্রম করতে আমি ব্যর্থ হই। একদিন বিকেলে আমি যখন ডিভিশন বিল্ডিংয়ের সামনের সবজি বাগানের লাগোয়া পায়ে চলার পথ ধরে পায়চারী করছি, একজন হাবিলদার হেঁটে এসে নিচু স্বরে বলল, 'স্যার আপনার সংস্কার কর্মসূচী . . .