মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১১, ২ কার্তিক ১৪১৮
বিএনপির রোডমার্চ 'ঘোড়ায় চড়িয়া মর্দ হাঁটিয়া চলিল'
কামাল লোহানী
ছোটবেলায় গ্রামে পুঁথি পাঠ করতে শুনতাম : 'ঘোড়ায় চড়িয়া মর্দ হাঁটিয়া চলিল।' কথাটা গত সোমবার আবার মনে পড়ে গেল বিএনপির চেয়ারপার্সন মাদাম খালেদা জিয়ার 'রোডমার্চ' দেখে। হায়রে, দুর্ভাগা দেশ! মানুষকে এত বোকা ঠাওরালেন কেন মাদাম? এসি গাড়িতে চড়ে ওঁরা ঢাকা থেকে সিলেট সেই বহুল প্রচারিত রোডমার্চ করলেন। কিন্তু মাদাম, 'কার' র্যালিকে রোডমার্চ বলে মানুষকে বোকা বানাবার এ আয়োজন কেন? মাদাম রোড মানে কি? রাস্তা, বড়জোর বলতে পারেন মহাসড়ক। আর মার্চ বলতে কি বোঝায়? মিছিল, কুচকাওয়াজ, পদযাত্রা কিংবা . . .
সিডনির মেলব্যাগ
একটি গজল আক্রান্ত সিডনি সন্ধ্যা ও শেষ প্রণাম
অজয় দাশ গুপ্ত
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। সিডনি টাউন হলের বারান্দায় হঠাৎ বর্ষণে ভিজে কাকের মতো দর্শক-শ্রোতার ছোটাছুটি চলছে। আগেই টিকেট কাটা ছিল। গিন্নির চাপাচাপিতেই মূলত টিকেট কেনা। যৌবনে গজল ভালবাসলেও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে রবীন্দ্রনাথই দখল করে নিয়েছেন সিংহভাগ। রুচি ও মানসিক স্তর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রবি, নজরুল, জীবনানন্দই হয়ে উঠেছেন নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশেষত প্রবাসী হলে স্বদেশ, নিজ ভাষা ও সংস্কৃতির টান এমনিতেই বাড়তে থাকে। তারপরও দুটো কারণে এই অনুষ্ঠানে যাবার তাগিদ অনুভব করেছিলাম। প্রথমত তাঁর গজল, ভাংরা বা বাংলা গানে . . .
আব্দুল মালেক উকিল
আব্দুল মালেক উকিল ছিলেন রাজনীতিবিদ, অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ও বিজ্ঞ আইনজীবী। তাঁর উপরোক্ত ৩টি পরিচয় ছাড়াও স্বাধীনতার পর ছিলেন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার। সব সময় তিনি নিজেকে একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং পেশাগতভাবে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, মন্ত্রিত্ব পদটুকু আজ আছে তো কাল নেই। কিন্তু একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনসেবার মাধ্যমে যদি জনগণের মন জয় করা যায়, মৃত্যুর পরও মানুষের মন থেকে তা কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। যুগ যুগ ধরে তা . . .
দেশ তখন জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সামরিক শাসনের অধীন
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) তাদের বিবেচনায়, যারা জ্ঞানকে শক্তি এবং সততাকে জীবনের লালনীয় মূল্যবোধ হিসেবে গণ্য করে তাদেরকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণিত হতে হবে। মূলবোধের এই নগ্ন অধঃপতনের সামনে দাঁড়িয়ে, লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে আমার মনে হলো, আমি অন্তত একটি ভাল কাজ করেছি মায়ের স্মৃতিকে জীবন্ত রাখার একটা পরিকল্পনা তৈরি করে। এখানে আমি উলেস্নখ করিনি যে, আমার স্ত্রী সিতারাও তার নিজের সঞ্চয় এবং গ্রামের বাড়ির আয় দিয়ে সুলতানা শিশু নিলয় নামে একটি এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে এবং পরিচালনা করে। সিতারা তার শ্বাশুড়িকে দেখেনি। আমাদের বিয়ে . . .