মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০১১, ২৭ আশ্বিন ১৪১৮
বিএনপির রোডমার্চকে নয়, ভয় আওয়ামী লীগের উল্টো রোডমার্চকে
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া রণযাত্রা করেছেন। এই রণযাত্রার নাম রোডমার্চ। রণাঙ্গনের বিস্তার আপাতত ঢাকা থেকে সিলেট। ১০ অক্টোবর সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকা থেকে শুরু হয়ে সিলেট গিয়ে পৌঁছেছেন রাত সাড়ে দশটায়। হিটলার যখন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করেন তখন সংবাদপত্রে হেডিং দেয়া হয়েছিল_ 'দেড় হাজার মাইলের ব্যাসার্ধ নিয়ে হিটলারের সৈন্যের রাশিয়া অভিযান।' বর্তমান বাংলাদেশে বিএনপির রোডমার্চের বিস্তারও কম দীর্ঘ নয়। ঢাকা থেকে একেবারে সিলেট পর্যন্ত। পথে পথে বিএনপি নেত্রী অগ্নিবর্ষী বক্তৃতা দিয়েছেন। লন্ডনে . . .
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য মিথ্যা মিথ
কুলদা রায় / এমএমআর জালাল
(পূর্ব প্রকাশিতের পর) শেষ পর্যন্ত স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চারটি নতুন অধ্যাপক পদ সৃষ্টির বিনিময়ে তার বিরোধিতার অবসান করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষাবিদ নানাপ্রকার প্রতিকুলতা অতিক্রম করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ঢাকার নবাব নবাব স্যার সলিমুলস্নাহ। কিন্তু, হঠাৎ করে ১৯১৫ সালে নবাব সলিমুলস্নাহের মৃত্যু ঘটলে নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী শক্ত হাতে এই উদ্যোগের হাল ধরেন। অন্যান্যদের মধ্যে আবুল কাশেম . . .
নতুন প্রজন্ম এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ
অরপি আহমেদ
সজীব ওয়াজেদ জয়! বিশ্ব বাঙালীদের কাছে এ এক অতি পরিচিত নাম! কখনওবা তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার সন্তান। কখনওবা তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাতি। কখনওবা তিনি আইটি বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। আবার কখনও তিনি বিশ্ব ইয়ং নেতৃত্বের এক মূর্ত প্রতীক। ছোটবেলা থেকেই দেশের বাইরে বেড়ে ওঠা এবং রাজনীতি থেকে দূরে বহুদূরে বিদেশে শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করে তোলার মধ্যেই ব্যস্ত থেকেছেন জীবনের বেশির ভাগ সময়। মা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বড় ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে শিক্ষার আলোয় আলোকিত একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে . . .
একটা আত্মবিশ্বাসের স্বস্তি জায়গা করে নিল
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) সবাই অনুভূতি ও আবেগে মাথা নুইয়ে চুপ করে থাকলেন। কাদের কিছু বলতে চাইলেন। কিন্তু গলার ভিতর শুকিয়ে যাওয়া তার কথা আর শ্রবণযোগ্য রইল না। আমি বাইরে তাকিয়ে দেখলাম দক্ষিণ দিকের নিচের রান্নাঘর থেকে ধোঁয়া উঠে আসছে। আমার মনে হলো আমাদের সকলেরই এ রকম ভাবনা যে, আমরা নীরবে আমাদের বন্দিত্বকে, আমাদের ওপর চালানো অবিচারকে মেনে নেব না, অপমান সহ্য করব না। আমরা এই দুঃস্বপ্নকে জয় করব। আমরা কষ্ট পাব কিন্তু কোঁকাবো না, কুঁকড়াবো না। চারপাশের সবাই চুপ। আমিও কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম। তারপর বললাম, আপনাদের . . .