মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০১১, ২৫ আশ্বিন ১৪১৮
খালেদা জিয়ার ফাইনাল খেলা...
শাহজাহান মিয়া
বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন আন্দোলনে যাওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চারদলীয় জোটের সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারকে হটানোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, "গণজোয়ারে এ ব্যর্থ, অযোগ্য ও জুলুমবাজ সরকারকে বিদায় করব।" ঘণ্টাব্যাপী বক্তৃতায় তিনি অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-বগুড়া-রাজশাহী ও ঢাকা-ফেনী-চট্টগ্রাম এই তিনটি বিভাগে আগামী অক্টোবর মাসে রোডমার্চ ও জনসভা . . .
সিডনির মেলব্যাগ
আমাদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত কবে হাত বাড়াবে?
অজয় দাশ গুপ্ত
আমাদের দেশে রাজনীতি অর্থনীতিকে বগলদাবা করে চলে। এ এক অদ্ভুত বাস্তবতা। নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক বা ইলেকশন কমিশন নিয়ে যত আলাপ যত উত্তেজনা তার সিকিভাগও নেই অর্থনীতি বিষয়ে। থাকার কারণও দেখি না। বয়স্ক বা মুরবি্বজনরা আজ স্মৃতির দায় ও ক্লান্তিতে ভুগছেন। আমরা যারা বয়স্কজনের পর্যায়ে, আমাদের অবস্থাও খুব সুবিধের নয়। আর্থিক খাত ব্যাংকিং বা ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে উপরে ওঠা দোস্তরা টকশো বা টিভিতেই ব্যস্ত। বিন্দুমাত্র আগ্রহও নেই জাতিকে জাগিয়ে তোলার। শেয়ারবাজার, ব্যাংকিং বা আর্থিক খাতের উত্থান-পতন বিষয়ে . . .
প্রধানমন্ত্রীর নীলফামারী সফর ও প্রত্যাশা
জাহাঙ্গীর আলম সরকার
১২ অক্টোবর নীলফামারী জেলার বড়মাঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা। শান্তির শহর নীলফামারীর পৰ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা। যে মাঠে তিনি জনসভা করবেন সেই মাঠে '৭০-এর নির্বাচনের পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও জনসভা করেছিলেন। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের পূর্বে এবং স্বাধীনতার পর ৭৪ সালে প্রথমবারের মতো সে মাঠে একবার নির্বাচনী জনসভা করেছিলেন। এবারের জনসভা এ মাঠে তাঁর দ্বিতীয় বার। পাকিস্তান আমলে এই মাঠে আইয়ুব খানও জনসভা করেছিলেন। বিশাল মাঠটির ঐতিহ্যগত অবস্থান অনেক . . .
আমি শুধু তার দিকে একবার তাকালাম
নোটস ফ্রম এ প্রিজন বাংলাদেশ
মহীউদ্দীন খান আলমগীর
(পূর্ব প্রকাশের পর) আমি আসল কথা বললাম, মুক্তিযোদ্ধা ছেলেদের জন্য আমার কিছু টাকা দরকার। তিনি গলা থেকে সোনার হারটি খুলে আমার হাতে দিয়ে বললেন, নিয়ে যান। আমার মুখে কোন কথা এল না। হারটি হাতে নিয়ে আমি শুধু তার দিকে একবার তাকালাম। নিষ্পাপ মুখ। দেশের জন্য ভালবাসা ও উষ্ণতা প্রতিফলিত। আমার চোখে জল এসে গেছে, সেটা সংবরণ করা ছিল কঠিন। আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি বলে তিনি আমাকে বসার ঘরে রেখে ভেতরে গেলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়ত চা নিয়ে আসবেন। আমি তৃষ্ণার্থ ছিলাম। কিন্তু এটা বলতেও লজ্জা লাগছিল। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই . . .