মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ২১ আগষ্ট ২০১৩, ৬ ভাদ্র ১৪২০
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা ॥ বিশ্বে প্রথম
০ গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিবৃতি দেয়ায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিরুদ্ধে মামলা
০ প্রসিকিউটরদের দাবি নাৎসি পলিসি সাপোর্ট করে এমন ব্যক্তি হিউম্যান রাইটস ওয়াচে আছে
স্টাফ রিপোর্টার ॥ নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদন দাখিল করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনপক্ষ। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রসিকিউশনপক্ষ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ অভিযোগ দাখিল করে। পৃথিবীতে এটাই প্রথম এইচআরডব্লিউয়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতির পর আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছিলেন, সকল আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার কাজ . . .
সেই ভয়াল দিনের কথা মনে হলে মৃত্যু যেন এখনও হাতছানি দেয়
২১ আগস্ট স্মরণ
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ ‘আমাদের সুন্দর জীবনটাই হারিয়ে গেছে। ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও কষ্টের তীব্রতা এতটুকুও কমেনি। গ্রেনেডের ঘাতক স্পিøন্টারের সঙ্গেই আমাদের নিত্য বসবাস। বিভীষিকাময় সেই ভয়াল দিনটির কথা মনে হলে এখনও মৃত্যু যেন হাতছানি দেয়। ভয়াল ঘটনাটির নারকীয় স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায় সবসময়। তখন জীবনযন্ত্রণা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে আরও শক্ত করে। হিংস্র শ্বাপদের ভয়ঙ্কর ছোবল থেকে প্রাণটা বাঁচলেও মরণঘাতী গ্রেনেডের স্পিøন্টারের যন্ত্রণাদগ্ধ অভিশাপ নিয়েই চলছে রাজনৈতিক জীবন। আমৃত্যু আমাদের এই জীবনযন্ত্রণা . . .
জঙ্গীবাদ ও বোমাবাজির রাজনীতি থেকে সরে আসেনি জামায়াত বিএনপি
একনজরে বিএনপি-জামায়াত আমলের বোমাবাজির খতিয়ান
জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥ জঙ্গীবাদ আর বোমাবাজির রাজনীতি থেকে সরে আসতে পারেনি বিএনপি-জামায়াত জোট। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকে মানুষ হত্যার রাজনীতি শুরু। রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয় বাংলাদেশ। যা এখনও অব্যাহত। সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে ২০০৮ সালে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াতকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে। তবুও ভ্রুক্ষেপ নেই। ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে বিএনপি এখন জামায়াতের পাশাপাশি উগ্র সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী ও জঙ্গী গোষ্ঠীকে বেছে নিয়ে পাল্লা ভারি করেছে। তারা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো . . .
দক্ষিণে হিযবুত ১ ॥ চারদলীয় জোট আমলে আত্মপ্রকাশ
খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল থেকে ॥ বিএনপি-জামায়াতের চারদলীয় জোট সরকারের প্রথমার্ধে কয়েকটি সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনার মধ্য দিয়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করে উগ্রপন্থী মৌলবাদী জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাওহীদ। ওই সময় গৌরনদীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বেশ কয়েকটি হতাহতের ঘটনাও ঘটে। সারাদেশেই এ সংগঠনের অনুসারী এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। টাঙ্গাইলের করটিয়ার জমিদার ও বিএনপি সরকারের সাবেক ডেপুটি স্পীকার হুমায়ুন খান পন্নীর সহোদর বায়েজিদ খান পন্নীর প্রতিষ্ঠিত উগ্র মৌলবাদী জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাওহীদ। . . .
নাইকোর বিরুদ্ধে মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়
এখন বাংলাদেশের আদালতে মামলা চালাতে আর কোন বাধা রইল না
জনকণ্ঠ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নাইকোর দুটি আবেদন নাকচ করে দিল ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সালিশি প্রতিষ্ঠান ইকসিড (ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউট)। মঙ্গলবার বাংলাদেশের পক্ষে এ রায় দিয়েছে আদালত। ফলে দেশের আদালতে নাইকোর বিরুদ্ধের করা সরকারের মামলা চলতে কোন বাধা থাকছে না। এ ছাড়া নাইকোর কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের পথও প্রশস্ত হয়েছে। রাজধানীর পেট্রোসেন্টারে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে মামলার রায় নিয়ে কথা বলেন পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক . . .
বাবা-মাকে হত্যার আগে ঐশীকে ঘুমের বড়ি দেয় বয়ফ্রেন্ড জনি
জনি ও সাইফুল খুন করেছে-দাবি ঐশীর ॥ গ্রেফতারে অভিযান চলছে
শংকর কুমার দে ॥ ঐশীর বয়ফ্রেন্ড জনি ‘নাইটাস’ নামে ১০টি উচ্চমাত্রার ঘুমের ট্যাবলেট এনে দেয় ঐশীকে। ঐশী ট্যাবলেটগুলো কফির সঙ্গে মিশিয়ে তার বাবা পুলিশ ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও মা স্বপ্নাকে পান করায়। বাবা-মা দুইজনই কফি পানে অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তারপর দুই বয়ফ্রেন্ড জনি ও সাইদুলকে সঙ্গে নিয়ে ঐশী হত্যা করে তার বাবা ও মাকে। মা-বাবাকে হত্যার পর ঐশী গোসলও করেছে। দুই বয়ফ্রেন্ড জনি ও সাইদুল এখনও পলাতক। তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে ডিবি পুলিশ। ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঐশী এ ধরনের তথ্য . . .
জামায়াত নিষিদ্ধ না হলে ২১ আগস্টের ঘটনা আরও ঘটবে
নির্মূল কমিটির আলোচনা
স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করাসহ ’৭১-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত জামায়াত একের পর এক হত্যাসহ সহিংস কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে। যার বিচার আজ পর্যন্ত করা হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় তারা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। ঢাকার রাজপথে ২১ আগস্টের চেয়ে বড় রক্তপাতের ঘটনা আর ঘটেনি। ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দিতেই সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকেও ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। জামায়াতের সন্ত্রাস বন্ধ করার একমাত্র উপায় জামায়াতকে এখনই নিষিদ্ধ . . .