মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ২৭ জুন ২০১১, ১৩ আষাঢ় ১৪১৮
ব্যাংকগুলো এখনও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে ॥ ২৫ হাজার কোটি
০ আইনী সীমার মধ্যেই এটা সম্ভব
০ মুদ্রানীতি শিথিল করা দরকার
০ ব্যাংক উদ্যোক্তারাও আগ্রহী
০ আস্থা ফিরে পাবেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ আইনী সীমার মধ্যে থেকেই ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে আরও প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে। শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকের বিনিয়োগ জরুরী হয়ে পড়েছে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যাংকের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়, যা এখনও বলবত আছে। কিন্তু সকল ব্যাংক মিলে মোট দায়ের মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে। তবে গত ডিসেম্বরের আগে কোন কোন ব্যাংক ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছিল। ওই সময় ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়ায় বাজারে পতন ত্বরান্বিত . . .
নিজামী-বাবরসহ ১১ জন নতুন আসামি
চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার সম্পূরক চার্জশীট দাখিল
মোয়াজ্জেমুল হক/হাসান নাসির ॥ দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৩ বছর অধিকতর তদন্ত শেষে সাত বছরেরও বেশি সময় আগেকার দেশে-বিদেশে সাড়া জাগানো সেই বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র আটক ও চোরাচালান মামলার সম্পূরক চার্জশীট রবিবার আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এতে উদ্ঘাটিত হয়েছে ঘটনার মূল রহস্য। তৎকালীন সরকারের উর্ধতন একশ্রেণী কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে অস্ত্রের এ চালানটি আনা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, অস্ত্রের চালান আটকের পর যে তদন্ত কমিটি ও মামলা হয়েছিল তাও ধামাচাপা দেয়ার প্রয়াস চালানো হয়। কিন্তু অধিকতর তদন্তে . . .
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা গণতন্ত্রের জন্য অপমানজনক
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা তদন্ত কমিশন এক বছর আগেই বাতিলের সুপারিশ করে
তপন বিশ্বাস ॥ এক বছর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সুপারিশ করেছিল ২০০১ নির্বাচনোত্তর সহিংসতা তদন্তের জন্য গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন। ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর সহিংস ঘটনার ৯ বছর পর গঠিত কমিশন তদন্ত করতে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের হতাশা ও শঙ্কার সৃষ্টি থেকে এই সুপারিশ করে। অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সভাপতি করে গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়, মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার দ্বারা গণতন্ত্র অপমানিত হয়। . . .
দু'দিনের হরতালের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি
সংবিধান সংশোধন বিল পাসের পরও দেয়া হতে পারে
শরীফুল ইসলাম ॥ আগামীকাল মঙ্গলবার আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচী দিচ্ছে না বিএনপি। তবে ৩ জুলাইয়ের পর টানা ২ দিনের হরতাল কর্মসূচী দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। একটি সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলন কর্মসূচীতে দলের যে সব নেতা মাঠে সক্রিয় থাকেন তাদের ৪ ও ৫ জুলাই হরতাল পালনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এই সময়ের মধ্যে হরতাল পালন করা হবে। আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধন বিলটি পাসের পর বিএনপি টানা ২ দিন হরতাল পালন করবে। আর এ জন্যই বেশ কিছুদিন সময় হাতে রেখে এখন . . .
কিভাবে ওই তিন মাস সংসদ চলবে তার প্রস্তাব নেই
প্রশ্নের মুখে সংবিধান সংশোধন কমিটি
নাজনীন আখতার ॥ বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই শেষ ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের বিধান রাখা হলেও কিভাবে ওই তিন মাস সংসদ চলবে তার কোন প্রস্তাব রাখা হয়নি বহুল আলোচিত পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধন বিলে। সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বিরতিতে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে সরকারের শেষ তিন মাসে আইনগত কাজের বাইরে থাকতে বাধ্য সংসদ সদস্যরা কিভাবে সংসদ অধিবেশনের সঙ্গে যুক্ত হবেন সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্র মতে, শনিবার বিলটি সংসদে উত্থাপিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে পড়েছেন সংবিধান সংশোধনে . . .
ভালোর পসরা
ভালো চাই, ভালো ভালো নেবেন গো ভালো? আরো ভালো... আরো ভালোর পসরা নিয়ে কলম ধরেছেন অনেকে। যতই কাজ করেন, এদের এই শ্রেণীটার কিছুই ভালো লাগে না। তাদের বক্তব্য হলো, 'এই সরকার (আওয়ামী লীগ) কিছুই করছে না, মানুষের অনেক আশা ছিল কিন্তু তা পূরণ হচ্ছে না। মানুষ হতাশ হয়ে যাচ্ছে, দেশ একদম ভালো চলছে না। দেশের অবস্থা খুবই খারাপ।' লেখালেখি, মধ্যরাতের টেলিভিশনে টকশো, গোলটেবিল, লম্বাটেবিল, চৌকোটেবিল, সেমিনার_ কোথায় নেই তারা? তাদের এই সকল কথায় সাধারণ মানুষের মাঝে একটা প্রভাবও পড়ছে। (বিস্তারিত চতুরঙ্গ পাতায়) . . .
সিন্ডিকেটের প্রচার মিথ্যা প্রমাণিত ॥ আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৬০ ভাগের বেশি কাজ পেয়েছে দেশী প্রতিষ্ঠান
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বই ছাপার কাজ
বিভাষ বাড়ৈ ॥ অসাধু বই সিন্ডিকেট চক্রের অপতৎপরতা ও বিভ্রান্তিকর প্রচার মিথ্যা প্রমাণ করে আনত্মর্জাতিক দরপত্রের ৬০ ভাগেরও বেশি কাজ পেল দেশীয় প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিক স্তরের ৮ কোটি বইয়ের ৯৫টি লটের মধ্যে দেশীয় পুস্তক প্রকাশক ও মুদ্রণ শিল্প প্রতিষ্ঠানই পেয়েছে ৬৩টি লটের কাজ। বাকি ৩২টি লটের কাজ পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত কাজ নিতে পারেনি চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানগুলো। বিষয়টিকে অসাধু প্রকাশক ও বই সিন্ডিকেটের বিরম্নদ্ধে সৎ ও যোগ্য ব্যবসায়ীদের বিজয় . . .