মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, ১ ফাল্গুন ১৪১৯
শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আমাদের স্বপ্নের সম্ভার
শাহরিয়ার কবির
আমি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন দেখিনি, ভাষা সৈনিকদের কাছে শুনেছি, ইতিহাস পড়ে জেনেছি। আমি ’৬৯-এর ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান শুধু দেখিনি, পাকিস্তানের লৌহমানব ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের সামরিক জান্তার কারফিউ ভেঙে মিছিলও করেছি। সেই মিছিলের স্লোগান ছিল ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালী, বাঙালী’, আর ‘জয় বাংলা’। একেকটি মিছিলে তরুণ ছাত্র আসাদ, কিশোর ছাত্র মতিউর গুলি খেয়ে লাশ হয়ে যাচ্ছে। আসাদের রক্তমাখা শার্ট পতাকা বানিয়ে সহযোদ্ধা তরুণরা . . .
যাদের ডাকে দেশ জেগেছে
মিলু শামস
প্রথাগত রাজনীতির বহুমাত্রিক চালিয়াতিতে ষোলো কোটির বাংলাদেশ যখন বিবমিষায় আক্রান্ত, চারপাশের অন্যায় অনাচার সয়ে যেতে যেতে যখন বিপজ্জনক রকম সহনশীল ফুঁসে ওঠা তারুণ্য তখন জানাল, প্রতিবাদের ভাষা আসলে ফুরিয়ে যায়নি। ভিন্নভাবে নতুন আঙ্গিকের তাদের প্রতিবাদ আয়োজনে তাই নিমিষেই যুক্ত হয় বিহ্বল জনস্রোত। কোন নেতার ডাকে নয় বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করে পথে নেমেছে তারা। তাদের মঞ্চে গালভরা রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রবেশ নিষেধ। সংহতি জানানো যাবে তবে বুজরুকি একবারেই নয় প্রজন্মের পরিষ্কার উচ্চারণ। তবে . . .
সপ্তাহ পেরিয়ে
রাজাকার কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলনের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। কিন্তু ক্লান্তি নেই কারও; প্রতিদিন আরও নতুন মানুষ যোগ দিচ্ছে এই সমাবেশে। তারা সংহতি প্রকাশ করেছে একাত্তরের রাজাকারদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ক্ষোভ ও ঘৃণার সঙ্গে। যেন স্বাধীনতার চার দশক পর দায়মুক্তির এক উৎসবে শরিক হয়েছে সবাই। এ এক নতুন লড়াই সবারই প্রাণের বাসনা, এ লড়াইয়ে জিততে হবে। শাহবাগে সমবেত মানুষের একই দাবি, সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই। কণ্ঠে তাদের সেই চিরায়ত স্লোগান- জয় বাংলা। এই সেøাগানের . . .
এলপি গ্যাসে দুর্নীতি
দেশের অনেক শহর-বন্দরে এখনও প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছানো সম্ভব হয়নি; রাজধানী ঢাকাসহ হাতেগোনা কয়েকটি শহরের মানুষ শুধু এই সুবিধা ভোগ করছেন। এর বাইরে অন্যান্য শহরের ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জ্বালানির প্রধান অবলম্বন লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি। কিন্তু অসাধু ডিলারদের কারসাজির কারণে এই তরল জ্বালানিটির মূল্য বর্তমানে এত বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে যে, তা ক্রমশ ব্যবহারকারীদের আর্থিক সামর্থ্যরে বাইরে চলে যাচ্ছে। রবিবার দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত এক রিপোর্ট থেকে জানা যায়, নিয়মবহির্ভূত বাড়তি মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি করে . . .