মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৩, ২৪ অগ্রহায়ন ১৪২০
অতঃপর বাংলাদেশ এখন আফগানিস্তান!
আবদুল মান্নান
লেখার শুরুতেই বর্তমান সময়ের শেষ স্টেট্সম্যান দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার নিজ বাসভবনে ৯৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। সারাবিশ্বের মানুষ এই মহান নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঁচিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ম্যান্ডেলা একবারই এই দেশে এসেছিলেন। আরও এসেছিলেন ইয়াসির আরাফাত আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সুলেমান ডেমিরিল। স্বাধীনতার পঁচিশ বছর পূর্তি আগের বছর হলেও সেটি নির্বাচনের বছর ছিল বলে সে বছর অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা . . .
একুশ শতক ॥ বাংলা লেখার কম্পিউটার কীবোর্ড বিজয়ের রজতজয়ন্তী ও অন্যান্য প্রযুক্তি
॥ তিন ॥ মনে রাখা ভাল, বিশ্বের অনেক ভাষাই বর্ণমালার ত্রুটির জন্যই তার নিজস্ব বর্ণমালাকে শহীদ করে রোমান হরফকে গ্রহণ করেছে। কিন্তু তাতে কোন উপকার না হয়ে বরং অপকার হয়েছে। আমাদের ক্ষেত্রেও এমন প্রস্তাব এসেছিল। স্বাধীনতা পূর্বকালে রোমান বা আরবী হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। রোমান হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবটিতে কিছু বাস্তবতা থাকলেও আরবী হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব ছিল পুরোপুরি অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা তখন রোমান হরফ গ্রহণ করলে একটি কীবোর্ডের জ্বালাতন হয়ত সহ্য করতে হতো না। কিন্তু অন্য কোন সুবিধা . . .
বিদায় মাদিবা
কিংবদন্তির মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব নেলসন ম্যান্ডেলা আর নেই। বৃহস্পতিবার জোহানেসবার্গ শহরে নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। কিছুদিন ধরে তিনি ফুসফুসের অসুখে ভুগছিলেন। ছিলেন হাসপাতালে। তারপর তাঁকে আনা হয় নিজ বাসভবনে । সেখানেই তিনি মারা গেলেন, তিনি চলে গেলেন তাঁর প্রিয় দেশবাসী দক্ষিণ আফ্রিকাবাসীকে কাঁদিয়ে, চলে গেলেন দীর্ঘ সংগ্রামের জীবন নিয়ে। চলে গেলেন বিশ্ব রাজনৈতিক অঙ্গনকে শূন্য করে দিয়ে। সুদীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের অধিকারী ছিলেন তিনি। নিজের বিশ্বাসের প্রতিই নিষ্ঠা আদর্শের প্রতি ভালবাসা কঠোর . . .
মানবাধিকার লঙ্ঘন
গত কয়েক দিনের অবরোধে দেশে যে পরিমাণ মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে তা অতীতের সব পাশবিকতাকে হার মানায়। বিশেষভাবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে গিয়ে দগ্ধ মানুষের আর্তনাদ শুনলে এমনটাই মনে হয়। আর এই হিংস্র, বর্বর, পৈশাচিকতা চালিয়ে যাচ্ছে বিরোধী জোট। কয়েক মাস ধরেই এই ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটছে। বিশ্বের যদি কোন দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হয় তখন বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বিষয়টি সুরাহার জন্য চেষ্টা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সমস্যার সমাধানে এবং দেশ যেন রাজনৈতিক সংঘাতে ক্ষতবিক্ষত না হয় সে বিষয়ে . . .