মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১, ১৩ পৌষ ১৪১৮
মুজিব কন্যার শাসনামলে পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন সম্ভব নয়
আবদুল মান্নান
প্রতিবছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে চেষ্টা করি এ দু'টি দিনে পাকিস্তানের প্রধান সংবাদপত্রগুলো কিভাবে দিন দু'টির ঘটনাপ্রবাহকে মূল্যায়ন করে, তা জানতে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয় সে দেশের প্রচার মাধ্যমে দিন দু'টি চেপে যাওয়া হয় অথবা এই দিনে হিন্দু ভারত মুসলিম পাকিস্তানকে ষড়যন্ত্র করে ভেঙ্গে ফেলেছে বলে দু'একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। মাঝে মঝে কিছু ব্যতিক্রম যে থাকে না, তা নয়। কোন কোন বিশ্লেষক এখন মনে করেন, একাত্তরের ঘটনাপঞ্জির জন্য মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দায়ী এবং তাদের . . .
গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে কবে?
ড. হারুন রশীদ
রাজধানীতে যাঁরা বাস করেন তাঁদের কাছে দিন দিন অসহনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠছে গণপরিবহন। শুধু তাই নয়, ভোগান্তির তালিকা দিন দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখানকার পরিবহন ব্যবস্থা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, রাস্তার সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে। যাচ্ছেতাইভাবে সবকিছু চলাটাই যেন অনেকটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। সমস্যা যে হারে বাড়ছে সমাধান সে গতিতে এগুচ্ছে না। গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে অনেক আগেই। কোথাও যাওয়ার জন্য নাগরিকদের রাস্তায় নেমেই এক বিব্রতকর . . .
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীদের অধিকার সমুন্নত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ক্রিসমাস ২০১১ উদযাপনের প্রাক্কালে খ্রীস্টান এ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশকে বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন তিনি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রৰার জন্য প্রয়োজন সবার আন্তরিক থাকা। প্রতিটি ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগের নিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরির কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সব সময়ই শান্তি ও সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। . . .
কাঁচপুর সেতু ঝুঁকিতে
দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ কাঁচপুর সেতু বর্তমানে মারাত্মক হুমকির মুখে। পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, এ সেতু যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার সড়কপথের যোগাযোগ এই সেতুর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে; দিবারাত্রি এই সেতুর ওপর দিয়ে বাস-ট্রাকসহ নানা ধরনের ভারি যান চলাচল করে থাকে। অথচ এ ধরনের কর্মব্যস্ত সেতুর জন্য যেমন নিয়মিত সংস্কার কার্যক্রম চালু থাকা উচিত- তেমনটি এ সেতুর ৰেত্রে হয়নি। জানা গেছে, গত ৩৩ বছরে . . .