মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ২ জানুয়ারী ২০১১, ১৯ পৌষ ১৪১৭
একুশ শতক
ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য কথা
মোস্তফা জব্বার
॥ দশ ॥ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার পর আমরা ভাবতে থাকি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে আমাদের আর কি করণীয় আছে। এই ভাবনাতেই আমরা ধানমণ্ডির ৩/এ-এর অফিসে একটি সভায় বসি। ২২ ডিসেম্বর ২০০৮ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় সভাটি। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান (বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী), সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক (বর্তমানে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক) নূহ উল আলম লেনিন, বিটিভির বর্তমান ডিজি আবু জাফর সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. হারুন অর রশিদ, কলামিস্ট শেখর দত্ত ও আমিসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলাম। সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয় ২৪ ডিসেম্বর . . .
লেট দেয়ার বি লাইট
দেওয়ান মুহাম্মদ সালেহ
আশঙ্কা হচ্ছে, ঢাকা শহর বেষ্টন করে প্রবাহিত ভয়াবহ দূষণের শিকার বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালুনদী, ত্রিমোহনী নামের মুমূর্ষু নদীগুলোর আৰরিক মৃত্যুর সঙ্গে ঘটবে ঢাকা শহরের মৃত্যু। সেদিন বোধ হয় আর বেশি দূরে নয়। উল্লেখিত নদীগুলোর আলকাতরা রঙের মতো কালো রঙের তরল পদার্থগুলোই এক সময়ের ঝিলমিল করা নদীর পানি ছিল বলে গল্প করলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। নদীগুলোর এই পরিণতির রোধে সর্বস্তরের নগরবাসীর কার্যকরী পদৰেপ যথেষ্ট ছিল না মর্মে ভবিষ্যত প্রজন্মের প্রশ্নের সম্মুখীন আমাদের হতেই হবে। কিছু সংখ্যক অতিলোভী মানুষের . . .
ফল মাঝারি মানের
এবার প্রকাশিত হলো দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীৰার ফল। মাত্র ক'দিন আগে প্রাথমিক শিৰা সমাপনী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা যেমন চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে। সেই নিরিখে বলা যায় এবারের পরীৰায় ৮ম শ্রেণী পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সাফল্য তেমন আশাব্যঞ্জক নয়। প্রাথমিক সমাপনী পরীৰায় দেশব্যাপী পাসের হার ছিল ৯২.৩৪ শতাংশ; কিন্তু জুনিয়র সার্টিফিকেট পরীৰায় উত্তীর্ণের হার ৭৩.০৪ শতাংশ। শিশু-কিশোর বয়সেই শিক্ষাজীবনের মূল ভিত্তি রচিত হয়। এ সময় যদি তাদের . . .
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণে_
সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং সন্তানের সন্তানদের (অর্থাৎ নাতি ও নাতনির) কোটা সংরৰণের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। আইনের খসড়া অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরৰিত ৩০ শতাংশ কোটায় কোন মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁর সন্তানদের পাওয়া না গেলে তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের এ কোটায় চাকরি দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ প্রসত্মাব অনুমোদিত হয়। সিদ্ধান্তটি যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাতে সন্দেহ নেই। মুক্তিযোদ্ধা কাউকে পাওয়া গেলে . . .