মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, ২৪ মাঘ ১৪১৯
কাদের মোল্লার মামলার রায়
প্রতিবেদনগুলো তৈরি করেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার বিকাশ দত্ত
একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদ-ের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ৫ ফেব্রুয়ারি এই রায় ঘোষণা করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এক দিনে হয়নি। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশ হিসেবে স্থান করে নেয়। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে ৩০ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা, . . .
যুক্তিতর্ক
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে উভয়পক্ষ যুক্তিতর্ক পেশ করেছেন। আসামি পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে তাতে তার কোন ধরনের শাস্তি হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ মামলায় তিনি বেকসুর খালাস পাবেন। অন্যদিকে প্রসিকিউশন বলেছেন, কাদের মোল্লার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল . . .
যত অভিযোগ
চার্জ-১ : এছাড়া আলবদর বাহিনীর নেতা আসামি আব্দুল কাদের মোল্লা ও তার সহযোগী অবাঙালী বিহারীদের নিয়ে বাংলা কলেজের ছাত্র পল্লবকে জোরপূর্বক ধরে এনে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ১ নম্বর এবং ১ নং শাহ আলী মাজার থেকে হাতে দড়ি বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে পুনরায় মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনে ঈদগাহ মাঠে নিয়ে এসে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পল্লবের দেহ দু’দিন ঝুলিয়ে রেখে তার সহযোগী আলবদর বাহিনীর সদস্য ও অবাঙালী বিহারী দ্বারা পল্লবের আঙ্গুলগুলো কেটে ফেলে এবং ৫ এপ্রিল তার নির্দেশে ও উপস্থিতিতে তার প্রধান সহযোগী আলবদর আক্তার গু-া পল্লবের . . .
ভুলি নাই সেই কথা
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দী প্রদান করেছেন। নিম্নে তাদের জবানবন্দী দেয়া হলো। মোজাফফর আহমেদ খান মামলার প্রথম সাক্ষী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমেদ খান। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, একাত্তরে তিনি মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের ফটকের সামনে কাদের মোল্লাকে অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে . . .
কে এই কাদের মোল্লা
কে এই যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা। মিরপুরবাসীর কাছে কসাই নামে পরিচিত। আজ নিজেকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত করেছেন? একাত্তরে তার কি ভূমিকা ছিল? কি অভিযোগ ছিল ছাত্র জীবনে? তার পরিচয় কি ছিল, এখন কি করেন। এসব জানার জন্য সবাই অধীর আগ্রহ আছে। নতুন প্রজন্ম তার সম্বন্ধে কিছুই জানে না। তারা জানে কাদের মোল্লা জামায়াতের একজন নেতা। অথচ তার ঐ পরিচয়ের পিছনে লুকিয়ে আছে ঘৃণ্য এক চেহারা। প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, মিরপুরের কসাই এই কাদের মোল্লার পরিচয় অনেকেই জানেন না। . . .